সাইবার বুলিং নিয়ে বিশ্বাজুড়ে কাজ করবে সাদাত

25

নড়াইলকণ্ঠ : আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাদাত রহমান বলছিলেন, ‘কিশোর-কিশোরীরা ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকতে পারে তার জন্য কাজ করে যাব। বিশ্বে যতদিন পর্যন্ত সাইবার বুলিং বন্ধ না হয় ততদিন কাজ চালিয়ে যাব। দেশের ৬৪ জেলায় দ্রুত কার্যক্রম শুরু করব।’

শনিবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে এসব কথা বলেন সাদাত। এর আগে সকালে নড়াইল আব্দুল হাই সিটি কলেজের পক্ষ থেকে যশোর বিমানবন্দরে সাদাতকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। সাদাত ওই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। তারা সেখান থেকে তাকে নিয়ে আসেন নড়াইল প্রেসক্লাবে।

এ সময়ে প্রেসক্লাবে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাদাতের বাবা মো. সাখাওয়াত হোসেন, মা মোসা মলিনা খাতুন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক ও সহকারী অধ্যাপক মলয় কান্তি নন্দী এবং নড়াইল ভলান্টিয়ার্স ও সাইবার টিনসের সদস্যরা।

গত ১৩ নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাদাতকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ‘কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন’ তাঁকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করে।
এ সময়ে বাবা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশবাসীর সাদাতের প্রতি আন্তরিকতা দেখে আমি অভিভূত। বাংলাদেশ ডিজিটাল দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে সাদাত তার বাস্তব প্রমাণ। অন্য তরুণেরা তাকে এটি দেখে এগিয়ে আসবে।

মা মলিনা খাতুন বলছিলেন, ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার চেয়ে তার এসব দিকে ঝোক ছিল বেশি।

এ পুরস্কার বিজয়ের জন্য সাদাত বিশেষভাবে বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘তাদের সমর্থন ছাড়া সাইবার বুলিং এগিয়ে নেওয়া যেত না, যা আমাকে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি দিয়েছে।

সাদাত জানায়, পুরস্কারের ১ লাখ ইউরো অ্যাপটির কাজে ব্যয় করব। ‘কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন’ আমার ভবিষ্যদের পড়াশোনার ব্যয়ভার গ্রহণ করেছে। ওয়ালটন কোম্পানি এ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ৫ লাখ টাকা দিয়েছে। ইউনিভারসিটি অব প্রোফেশনালসের ভাইস চ্যান্সেলর মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরোয়ার হাসান ভবিষ্যতের সব ধরনের সযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।