ভোলায় আপন ভাইকে হত্যা কোটি টাকার সম্পদ হাতিয়ে নিতে

10

ডেস্ক রিপোটার: চার সন্তান নিয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নিহতের স্ত্রী। ভোলার মনপুরায় ব্যবসায়ী আলাউদ্দনি মোল্লার কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে তার দুই ভাই ও প্রতবিশেীরা পরকিল্পনা করে হত্যা করে। এরপর আলাউদ্দনিরে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দেনা পরিশোধের নামে বাড়ি ও সম্পত্তি বিক্রির পাঁয়তারা করছে তারা। এতে চার শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আযোজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন নিহতের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার রিতু। এর আগে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখতি অভিযোগ করেন তিনি।

শাহনাজ আক্তার জানান, গত বছররে ৬ অক্টোবর ব্যবসা প্রতষ্ঠিান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলাউদ্দিনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে আলাউদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করার পর তিনি বাড়ির দিকে ছুটে আসেন। তাকে হাসপাতালে না নিয়ে অন্যদিকে ছুটে পালিয়ে যায় প্রতিবেশী শামিম মাস্টার। ওই রাতেই দেবর জামাল দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চাবি নিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় দেবর জামালসহ শামিম মাস্টার।

তিনি আরো জানান, টাকার হিসাব চাওয়ায় শ্বশুর, দেবর ও শামিম মাস্টার তাকে বাড়ি থেকে উৎখাত করতে ওই বাড়ি বিক্রির করার চেষ্টা চালায়। বাড়ির পাশের আমিনুল ইসলাম শামিম ফকিরহাট বাজারে এক সময় কম্পিউটার টাইপিং ব্যবসা করতেন। কম্পিউটার অপারেটিং না জানা নিহত ব্যবসায়ী আলাউদ্দিনের ডাচ-বাংলা ব্যাংক এজেন্টের সব লেনদেনের হিসাব রাখতেন শামিম মাস্টার। আলাউদ্দিনের মৃত্যুর পর ওই সব হিসাবের ডকুমেন্ট গায়েব করা হয়। এমনকি হত্যা মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালায়। এছাড়া নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে মামলার বাদী না করে করা হয় দেবর মো. জাফরকে।

শাহনাজ দাবি করেন, ঘটনাস্থল তার ঘরের পাশেই। কিন্তু ছুরিকাঘাতের পর আলাউদ্দিন তার ঘরে না গিয়ে শামিম মাস্টারের ঘরের সামনে গিয়ে আঙ্গুল উচিয়ে তাকে ইশারা করছিল। এতে ধারণা করা হয় শামীম মাস্টারই তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় শামীম মাস্টার ও দেবরদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল নিহতের বড় মেয়ে সুমাইয়া (১৩), আয়েশা (৯), ছেলে আবদিুর রহমান (৪) ও আব্দুল্লাহ (১৪ মাস)।