কালিয়ায় ৪দিনপর ৭১জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের

29

কালিয়া প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে রায়হান ফকির (২৫) নিহত হওয়ার ঘটনায় শনিবার (১৪ নভেম্বর) রাতে ৭১ জনকে আসামী করে নিহতের মাতা কহিনূর বেগম বাদী হয়ে ৪দিন পর হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নড়াগাতী থানা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান ও দুই মেম্বারসহ ৭১ জনকে আসামী করা হয়েছে।

উপজেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগ নেতা মাহমুদুল হাসান কায়েস সমর্থিত সবুর ফকির গ্রুপ ও নড়াইল-১ আসনের আ’লীগের এমপি সমর্থিত মান্নান-মিল্টন গ্রুপের মধ্যে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত মঙ্গলবার (১০নভেম্বর) সকাল ১১টায় কলাবাড়ীয়া ইউপি ও বাঐশোনা ইউপির বডার মুলখানা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দু’গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ রায়হান ফকির ওরেফে রানা (২৫) নিহত হয়। সে উপজেলার কলাবাড়ীয় ইউপির মূলখানা গ্রামের ফায়েক ফকিরের ছেলে ও সবুর ফকির গ্রুপের সমর্থক।

ঘটনার দিন ঘটনাস্থল থেকে মান্নান-মিল্টন গ্রুপের মুলখানা গ্রামের জালাল সিকদার ও কলাবড়ীয়া গ্রামের আলামিন শেখকে পুলিশ আটক করে।এছাড়া আর কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। এ হত্যা মামলায় নড়াগাতী থানা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমাম দীপু,কলাবাড়ীয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান মন্নু,দুই ইউপি সদস্য শের আলী শেখ ও সোহেলসহ ৭১জনকে আসামী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ২৬ মে মান্নান-মিল্টন গ্রুপের মিল্টনের পিতা কাইয়ুম হত্যা হয়।তার প্রায় ৩বছর আগে কায়েস সমর্থিত সবুর ফকির গ্রুপের আজিবর রহমান কলাই হত্যা হয়।
এ প্রসঙ্গে উপজেলার নড়াগাতী থানার ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, ‘নিহতের মাতা কহিনূর বেগম বাদী হয়ে শনিবার রাতে ৭১জনকে আসামী করে মামলা রুজু হয়। পরিস্থিতি এখন শান্ত। আসামীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’