নিলু’র শিক্ষা সনদ নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

29

নড়াইলকণ্ঠ ॥ আজ বুধবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজাম উদ্দিন খান নিলু বলেন, ‘আমার সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট সঠিক থাকলেও একটি কুচক্রী মহল আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আমি যে ক্যাম্পাস থেকে পাস করেছি তার সকল তথ্য অনলাইনে গেলেই আপনারা দেখতে পারবেন। ওই গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের সুনাম নষ্ট করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থে আওয়ামী লীগের ক্ষতি করছে। এসব অপ-প্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

এসময় তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক কারণে একসময় সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় আমি মামলার স্বীকার হয়েছিলাম। তৎকালীন আমার বন্ধু জীবন সাহা, মানিক সাহা, শহিদুল্লা, চুন্নু, বাবুল সাহা অনেকেই আমরা একসাথে ছিলাম। তখন আমার বাড়িতে পুলিশ গেলে ঐভাবে অভ্যস্ত ছিলো না, ভয় পেতো। যে কারনে আমাকে যশোরে থাকতে হতো। তারপর আমি যশোর থেকে নড়াইলে আসা যাওয়া করতাম। ঐসময় ডিগ্রি পরিক্ষা শুরু হলো। আমি ৩-৪ দিন আগে বিষয়টা জানি এবং মাত্র ৩-৪দিন পড়েই পরিক্ষা দিয়েছিলাম। আমি ইংরেজিতে ৪ মার্কের জন্য পাস করতে পারি না, রেফার্ড পাই।

তারপর আর ডিগ্রি পরিক্ষা দেওয়া হয়ে উঠেনি। এরপর ব্রেকাপ স্ট্যাডি হয়ে যায়। এরপরই আমি পৌরসভার নির্বাচন করি।

এরপর ২০০৩ সালে আমি যখন ঢাকায় থাকতাম ঐসময় আমি আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে অনার্সে ভর্তি হই। ঐসময় আমি অনার্স ও মাস্টার সময় নিয়েই করেছি। তখন ঐসময় দেশে এতো বেসরকারি ইউনিভার্সিটি ছিলো না। পরবর্তীতে যখন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে তখন স্ট্যাডি শুরু হলেও তখন কিন্তু আইডি নেম আছে, আইডি নম্বর আছে, রোল ডিজিটাল হয়ে গেছে। এটা কিন্তু কেউ বললে নাম ঢুকাতে পারে না। এটা আমার থেকে আপনারাই বেশি জানেন। আমি পড়েছি কিনা, আমার আইডেন্টিটি আছে কিনা, আমার রোল আছে কিনা, আমার ক্যাম্পাস আছে কি না, এটা সার্চ দিলে আপনারাও দেখতে পারবেন আমি মাস্টার্স পাশ করেছি কি না? যদি কোনো ফল্ট থাকে বা হয় সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ছাত্র আছে আমি একা না। সেই বিশ্ববিদ্যালয় যদি প্রমাণ করতে না পারে তবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয় জবাব দেবে, আমি না। সেই পর্যন্ত কেউ গেলো না, কিছু হলো না, কোনো ডকুমেন্ট আসলো না, মিডিয়াতে দিয়ে দিলাম! আমি তথ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম, আরটিভিতে নিউজ কভার হওয়ার পর। গিয়ে আমার কাছে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিংকটা বের করে দেখায়। উনি তখন মিডিয়া সাইটের উপ-সচিবকে ডাক দিয়ে বললেন, এই যে নিউজটা প্রকাশ হলো এইটা কিভাবে হলো?

তখন উনি আমাদের বললেন, আইন আছে এসব ভূয়ানিউজের বিরুদ্ধে আপনি যদি মামলা করেন। মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তখন উনার সিওকে ফোন করলো, কল দিয়ে বিষয়টি বললে তিনি বিষয়টা সম্পর্কে জানেন না বলে জানান। তবে আমি এ বিয়য়টা দেখছি।

এরপরে যদি কেউ ফেসবুকে অসত্য মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে লিখালিখি করেন আমি তার বিরুদ্ধে সরাসরি আইসিটি আইনে মামলা করবো।

এসময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।