শেখ হাসিনা ও শ্রিংলার বৈঠককে দু’দেশের সম্পর্কের নতুন মোড় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

65

দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হ্যাপিমন জ্যাকব হিন্দুস্তান টাইমসকে গত বৃহস্পতিবার বলেন, নয়াদিল্লির রাজতন্ত্রের মতো আচরণ করা উচিত নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতে নিযুক্ত ভারতীয় ক‚টনীতিকদের যেন আধুনিক যুগের ভাইসরয়। চীনের সঙ্গে ভারতের যে নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠছে এটি টের পেয়েই মোদীর বার্তা নিয়ে শ্রিংলা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বৈঠক।

ভারতের শশী থারুর দ্য হিন্দুকে গতকাল শুক্রবার বলেন, শেখ হাসিনা দিল্লির নিরাপত্তা ও কৌশলগত উদ্বেগের বিষয়ে সেনসিটিভ রয়েছেন। শেখ হাসিনার উদারতায় আসামে সহিংসতা ও সন্ত্রাস কমে এসেছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরই তার সরকারের প্রথম অন্যতম কাজ ছিল বাংলাদেশের ভিতর অবস্থান করে ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম বা উলফা ভারত বিরোধী কর্মকান্ড যারা করছিলেন, সেইসব নেতাকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন।

ইমতিয়াজ মাহমুদ বলেন, সম্ভবত বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ-মেয়াদী সম্পর্কের বিষয়ে ভারত একটি রোডম্যাপ খুঁজছে।

বাংলাদেশের মতিউর রহমান চৌধুরী সাউথ এশিয়ান মনিটরকে শুক্রবার বলেন, চীন এখন আর অর্থনৈতিক ক‚টনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যবসার সঙ্গে রাজনীতিকেও যুক্ত করেছে। লাদাখ সীমান্তে যখন ভারত-চীন গুলির লড়াই হয় তখন এই অঞ্চলের রাজনীতি অনেকটা পাল্টে যায়। ভারত আশা করেছিল, আর কেউ না থাকলেও বাংলাদেশ তার পাশে থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশ জাতিসংঘের মত শান্তির পক্ষে আওয়াজ তোলে। চীনের আমাদের দেশে বিনিয়োগও বেশি করছে।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শ্রিংলা গত মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।