আজ সেই ভয়াল একুশে আগস্ট: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের শুনানির অপেক্ষায়

49

আজ সেই ভয়াল একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাকে কাপুরুষোচিতভাবে হত্যাচেষ্টার দিন। ২০০৪ সালের এইদিনে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। শোকবিহ্বল জাতি আজ শ্রদ্ধাবনত চিত্তে ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৬তম বার্ষিকী আজ। মূলত: আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই তৎকালীন চার দলীয় জোট সরকার রাষ্টযন্ত্র ব্যবহার করে নৃশংসতম গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

নৃশংস সেই গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। তবে তার শ্রবণ শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা অল্পের জন্য সেদিনের ভয়াবহ হামলা থেকে বেঁচে যান। তবে হামলায় প্রাণ হারান মহিলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বেগম আইভি রহমানসহ ২৫ জন।

এদিকে বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসংক্রান্ত মামলা দুটি এখন দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে। হাইকোর্টে শুনানি পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে মামলার পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরি হয়েছে। এখন পেপারবুক যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর বেঞ্চ নির্ধারণের পালা। তারপর শুনানি শুরু হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়ে এসেছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ও দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করা হবে।’

১৬ বছর আগে এই দিনে ভয়ংকর সেই গ্রেনেড হামলা ও হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, গোয়েন্দা সংস্থার তৎকালীন দুই শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৪ জন জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি-বি) সদস্য। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং অপর ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় দেন। এরই মধ্যে কারাগারে থাকা দণ্ডিত ব্যক্তিরা কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুই মামলায় জেল আপিল করেছেন। মোট আপিলের সংখ্যা ৪৪। এর বাইরে আরও ৩৯টি নিয়মিত আপিল করেছেন দণ্ডিত ব্যক্তিরা।

জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল করা আসামিদের মধ্যে আছেন দুই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম।

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, বিচারিক আদালতের রায়ে দুই বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন পুলিশের সাবেক দুই মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহুদুল হক ও আশরাফুল হুদা। তাঁরা গত বছরের ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। চার বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পুলিশের সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান ও ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান গত বছর বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে সাজা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল দিয়ে তাঁদের অর্থদণ্ড স্থগিত করেন বলে জানান তাঁদের আইনজীবী আরশাদুর রউফ।

কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত। মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায় ও নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের ওপর সাধারণত একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। তবে এর আগে শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক প্রস্তুত করতে হয়।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সংক্রান্ত দুটি মামলার পেপারবুক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাপানো হয়েছে, যা সরকারি ছাপাখানা থেকে ১৬ আগস্ট শাখায় এসে পৌঁছায়। এখন পেপারবুক যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। পলাতক আসামি থাকলে তাঁদের জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত হিসেবে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে। আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে দলের নেতা-কর্মীসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ কয়েক শ নেতা-কর্মী।

অন্য মামলায় তিনজনের ফাঁসি কার্যকর :
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মোট আসামি ছিলেন ৫২ জন। তাঁদের মধ্যে হুজি-বি নেতা মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল আলমের ফাঁসি কার্যকর হয় ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায়। আরেক আসামি জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হয় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়। বাকি ৪৯ জনের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালত রায় দেন।

রায়ের পূর্বাপর:
তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার নানা চেষ্টা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে নতুন করে তদন্ত শুরু করে, বেরিয়ে আসে নতুন তথ্য। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালে সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেন সিআইডির এএসপি ফজলুল কবীর। তাতে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে ওই হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই মামলার বিচার শুরু হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আদালতের অনুমতি নিয়ে অধিকতর তদন্ত করে সিআইডি এবং ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়। তাতে বিএনপির তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, জামায়াতের আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, শীর্ষ পর্যায়ের সাবেক দুই গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ ৩০ জনকে নতুন করে আসামি করা হয়। এ নিয়ে হত্যা মামলায় মোট ৫২ জন আসামি হন। আর বিস্ফোরক মামলায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৪১। বিচার চলাকালে অন্য মামলায় তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাঁদের নাম এই দুই মামলা থেকে বাদ পড়ে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জন:
বিচারিক আদালতের রায়ে ১৯ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ, মাওলানা আবু সাইদ, মুফতি মঈনউদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল, হাফেজ আবু তাহের, মো. ইউসুফ ভাট ওরফে মাজেদ বাট, আবদুল মালেক, মফিজুর রহমান ওরফে মহিবুল্লাহ, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হোসাইন আহমেদ তামিম, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন।

তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন:
বিচারিক আদালতের রায়ে ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, আরিফুল ইসলাম আরিফ, জঙ্গি নেতা মুফতি আবদুর রউফ, হাফেজ ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, মাওলানা আবদুল হান্নান ওরফে সাব্বির, মুরসালিন, মুত্তাকিন, জাহাঙ্গীর বদর, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, আবু বকর সিদ্দিক ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মো. ইকবাল, রাতুল আহমেদ, মাওলানা লিটন, মো. খলিল ও শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল।

বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ১১ জনের:
বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত ১১ জন হলেন মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমীন, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ওরফে ডিউক, সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা, সাবেক আইজিপি শহুদুল হক, সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান, সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, জোট সরকার আমলের তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক এএসপি আবদুর রশিদ, সাবেক এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান ও সাবেক পুলিশ সুপার রুহুল আমীন।

দণ্ডিত ব্যক্তিদের মধ্যে তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জনকে মামলার নথিতে পলাতক দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে তারেক ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে আছেন। হারিছ চৌধুরী ২০০৭ সালে এক-এগারোর পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সিলেট সীমান্ত দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তাজউদ্দিন বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় আছেন বলে জানা যায়। হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন ও লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার ও কায়কোবাদ বিদেশে আছেন। তাঁদের বর্তমান অবস্থান জানা যায়নি। গ্রেনেড হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী দুই জঙ্গি মুরসালিন ও মুত্তাকিন অস্ত্রসহ ধরা পড়ার পর প্রায় দেড় দশক ধরে ভারতের কারাগারে আছেন।

দেশের ইতিহাসে বর্বরোচিত ওই হামলায় অন্তত চার শ মানুষ আহত হন। তাদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। আবার অনেকেই আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

প্রায় দেড় দশক আগের ওই হামলায় নিহতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন- আইভি রহমান, শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব:) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারি, আমিনুল ইসলাম মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা প্রমুখ।

অন্যদিকে, মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমির হোসেন আমু, প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক, প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ হানিফ, সম্প্রতি প্রয়াত এডভোকেট সাহারা খাতুন, এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, নজরুল ইসলাম বাবু, আওলাদ হোসেন, মাহবুবা পারভীন প্রমুখ।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন বিএনপি সরকার ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিকারের ব্যাপারে নিলিপ্ত ভূমিকা পালন করেছিল। এমনকি হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রক্ষা করতে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে সরকারের কর্মকর্তারা। এর অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা পাঁচটি গ্রেনেড ধ্বংস করে দিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

মূলত আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই তৎকালীন চার দলীয় জোট সরকার রাষ্টযন্ত্র ব্যবহার করে নৃশংসতম গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে।