যশোরে খুলনা বিভাগের ৯ জেলার সাংবাদিকদের সহায়তার চেক দিলেন তথ্যমন্ত্রী

121

নড়াইল কণ্ঠ:বৈশ্বিক মহামারি (কোভিড-১৯) করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে খুলনা বিভাগের ৯ জেলার ৩৩৮ জন সাংবাদিককে অর্থ সহায়তার চেক দিলেন তথ্যমন্ত্রী।

বুধবার (২৯ জুরাই) দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের সহায়তার অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক নেতা, এমপি মন্ত্রী মারা গেছেন। কেউ ঘরে বসে নেই। আর বিএনপির নেতারা ঘরে বসে টেলিভিশনে উঁকি দিয়ে মুখ দেখাচ্ছেন। তারা মানুষের পাশে নেই। গণমাধ্যম কর্মীরা জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে কাজ করছে। পুলিশ বাহিনী বাংলাদেশের জন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। এছাড়াও সেনাবাহিনী, ডাক্তার, নার্স করোনাকালের মহামারিতে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে কাজ করছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু যারা সরকারের প্রশংসা করে, তারা নয়, সমালোচক সাংবাদিকদেরকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। করোনায় সংকটে পড়া সাংবাদিকদের জন্য এ বিশেষ সহায়তা দিচ্ছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এ সহায়তা দেয়া হবে।

যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদ রহমান বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর-৬ ( কেশবপুর) আসনের সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন সহ-সভাপতি মনোতোষ বসু ও যুগ্ম মহাসচিব সাকিরুল কবীর রিটন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্য মন্ত্রী হাছান মাহমুদ খুলনা বিভাগের ৯ জেলার সাংবাদিক নেতাদের হাতে ৩৩৮জন সাংবাদিকের সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন। এরমধ্যে যশোর ৪৮জন, খুলনা ১১৪জন, মাগুরা ২৭জন, মেহেরপুর ২৫জন, সাতক্ষীরা ৩৪জন, চুয়াডাঙ্গা ২৮জন, ঝিনাইদহ ২৯জন, নড়াইল ২৭জন ও বাগেরহাটে ৬জন।