কালিয়ার শহিদুলের উন্নত চিকিৎসার জন্য মানবিক আবেদন

202

নড়াইল কণ্ঠ : নড়াইলের কালিয়ার খড়রিয়া গ্রামের ফশিয়ার ফকিরের ছেলে শহিদুল ফকির (২১) গত ২৭ এপ্রিল ২০২০ যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুটি পা হারায়। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার পরে তার দু’পায়ের হাটুর নিচ থেকে সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়। তার উন্নত চিকিৎসা ও সুস্থ্যতার জন্য আর্থিক আবেদন চেয়ে এ্যাডভোকে বি এম সুলতান মাহমুদ তার ফেসবুকে একটি পোষ্ট দেয়। তার দেয়া পোষ্টটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো।

একটি মানবিক আবেদন :
শহিদুল ফকির বয়স ২১ বছর, পিতা – ফশিয়ার ফকির, গ্রাম- খড়রিয়া পশ্চিমপাড়া, পীরোলী ইউনিয়ন, থানা – কালিয়া, জেলা – নড়াইল গত ২৭/০৫/২০২০ ইং তারিখে যশোরে এক মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার পরে ছেলেটার দুই পা হাটুর নিচ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। এখনো পর্যন্ত সে সম্পূর্ণ সুস্থ নয়। তার আরও চিকিৎসা প্রয়োজন। আর্থিক সংকটের কারণে বর্তমানে সে তার গ্রামের বাড়িতেই অবস্থান করছে। ওরা দুই ভাই এক বোন। সে সবার বড়। ওরা নিতান্তই গরিব। নিজেদের কোনো জমি নেই। থাকার জন্য একটি মাটির দেওয়ালের তৈরি করা ঘর আছে। তার বাবার বয়স ৬২ বছর। তিনিও এই বয়সে তেমন কিছু করতে পারেন না। ছেলেটার চিকিৎসার জন্য আরো কিছু অর্থের প্রয়োজন। যদি আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখেন তাহলে হয়তো জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার জন্য তার দুটো কৃত্রিম পা সংযোজন করা বড়ই প্রয়োজন। আমার জানামতে সাভারে এরকম একটি প্রতিষ্ঠান কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করে থাকে। হাইকোর্ট বন্ধ থাকার কারনে আমি গ্রামের বাড়িতে থাকায় কেউ একজন আমার কাছে এসেছিল। স্থানীয়দের কাছেও আমি নিজেই যা শুনেছি তাই লিখেছি। এমতাবস্থায় সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা ছেলেটির পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারি। সবার সহযোগিতায় হয়তো তাদের অনেক উপকার হবে।
সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা :
ফশিয়ার ফকির ( পিতা ) মোবাইল নাম্বার
০১৭৩৯-৫৩৯৪৩১( নগদ )
০১৭৭০-৩৩৮৩২৫
বার্তা প্রেরক :
বি এম সুলতান মাহমুদ
আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট
গ্রাম- মাধবপাশা, থানা – কালিয়া, নড়াইল।