নড়াইল জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরুদ্ধ ঘোষণা

283

নড়াইল কণ্ঠ : ‘কাঙ্গালের কথা বাসি হলেই ফলে’ শুরু থেকেই নড়াইল জেলাকে লকডাউন করার জন্য এমপি, ডিসি, এসপি মহোদয়ের নিকট বিভিন্ন মাধ্যমে অনুরোধ করা হয়েছে। আজ যে পরিস্থিতিতে নড়াইল জেলা লকডাউন হতে চলেছে তাতে কি হবে ঠিক জানি না, তবে এই করোনাভাইরাস যে গতিতে সংক্রমন ঘটায় তাতে আমরা নিশ্চিত নিরাপদে আছি এমনটি বলা মুশকিল।

অবশেষে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩টা থেকে নড়াইল জেলাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক আনজুমান আরার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘লকডাউনকালে এ জেলায় সড়কপথে, নৌ-পথে জনসাধারণের আগমন-বর্হিগমন নিষিদ্ধ করা হলো। জেলার অভ্যন্তরে এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও একইরুপ নিষেজ্ঞা বলবৎ থাকবে।’

‘সকল ধরণের গণপরিবহণ, জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। তবে জরুরি পরিষবা, চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য, খাদ্য সরবরাহ ও সংগ্রহ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ঔষধ শিল্পসংশ্লিষ্ট যানবাহণ, কর্মী ইত্যাদি এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে ঘোষিত অন্যান্য জরুরি পরিষেবা এর আওতা বর্হিভূত থাকবে।’

‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ ২৮ এপ্রিল মঙ্গরবার বিকাল ৩ ঘটিকা হতে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যৗল্প বলবৎ থাকবে। এ আদেশ অমান্যকারিদেও বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’

এদিকে, বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন একজন ডাক্তারের বরাত দিয়ে জানালেন মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের ডাক্তার ডাঃ আব্দুল মান্নান ও ডাঃ প্রশান্ত মল্লিক গেলো রাতে ও তার আগে প্রতিনিয়ত যে সব প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেছেন তাদের, তাদের পরিবারের কি হবে। এ বিষয়টি দ্রুত চিহ্নিত করার দাবি করেছেন শহরের সচেতন মহল।