ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনে মরিয়া বাংলাদেশ

64

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক : প্রথমবার বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রায় এক দশক আগে। সেটাও এককভাবে নয়। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বমঞ্চের আয়োজক হয় বাংলাদেশ। পরে ২০১৪ সালে এককভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ সাজায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কিন্তু সেটাও প্রায় অর্ধ যুগ হয়ে গেছে।
ক্রিকেট বোর্ড এখন চাইলেও আগামী তিন বছরের মধ্যে আইসিসির কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারবে না। তবে সুযোগ আসতে পারে এরপরই। ২০২৪ সাল থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ২৪টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে আইসিসি- ছেলেদের আটটি, মেয়েদের আটটি এবং যুবদলের আটটি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে।
এসব বিশ্বকাপের স্বাগতিক নির্বাচন হবে বিডিং প্রক্রিয়ায়। এনিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘এর আগে আইসিসির ইভেন্টগুলো হতো সেটার সঙ্গে এখনকার প্রক্রিয়ায় পার্থক্য আছে। আগে ঘুরে ঘুরে, কখনো মহাদেশের ভিত্তিতে, কখনো সদস্যদেশগুলোর অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। এবার তা হবে না।’
কোন প্রক্রিয়ায় হবে সেটাও বলেছেন নাজমুল, ‘এবার টুর্নামেন্টের স্বাগতিক নির্বাচন হবে বিডিং প্রক্রিয়ায়। যেমনটা ফিফা এবং অলিম্পিকে হয়ে থাকে। দেশগুলো বিড করে। এখন থেকে ক্রিকেটেও বিভিন্ন দেশ বিড করবে, শুধু ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ কর্তা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আইসিসি বিডিং পদ্ধতিতে গেলে বাংলাদেশ স্বাগতিক হওয়ার জন্য লড়বে, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই বিড করবে। আমাদের সুবিধা হচ্ছে যে অন্য কোনো দেশ হুট করে করতে গেলে যে অবকাঠামো লাগে সেটা আমাদের প্রায় আছে। নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণে সরকারকে খুব বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না।’
২০১৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির বড় সব ইভেন্টের স্বাগতিক স্বত্ব নিয়ে ফেলেছে ক্রিকেটের তিন মোড়ল খ্যাত ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। তাই এরপরের টুর্নামেন্ট আয়োজনে বাংলাদেশসহ আইসিসির অন্য সদস্য দেশগুলো যে আদাজল খেয়ে নামবে সেটা বলা বাহুল্য। প্রয়োজনে জোটও বাঁধতে পারে দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ড।