ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: কালিয়া জনপদ বিধ্বস্ত, সদর হাসপাতল ক্যাম্পাস!

15

নড়াইল কণ্ঠ : প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার জনপদ। কিন্তু সদরে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে বুলবুলের ঝড়-বৃষ্টিতে নড়াইল সদর হাসপাতাল ক্যাম্পাস চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে হাসপাতালের এ দৃশ্য নতুন কিছু নয়।
রবিবার সকালে প্রবল বেগে বয়ে যাওয়া ওই ঝড়ে উপজেলার পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি ইউনিয়নের অসংখ্য গাছপালা ও বহু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেই সাথে এসব এলাকায় সদ্য বোনা প্রায় ৫ হাজার একর জমির রবি ফসল সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল উপজেলার, কালিয়া পৌরসভা, সালামাবাদ, কলাবাড়িয়া, বাঐসোনা, পহরডাঙ্গা, জয়নগর ও খাশিয়ালসহ আশপাশের ইউনিয়নগুলো অতিক্রম করে।
ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী এ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে উপজেলা জুড়ে থাকা বিদ্যুতের লাইন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
কালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো নাজমুল হুদা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিধ্বস্ত জনপদের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নিরূপণের জন্য কাজ করছেন।’
অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরই নড়াইল সদর হাসপাতাল গণপূর্ত (পিডাব্লিউডি) বিভাগ নানা ধরনের সংস্কার মেরামত কাজ করে থাকে। কিন্তু সামন্যতম বৃষ্টি হলে এ সদর হাসপাতল ক্যাম্পস চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে।
আপনরা যে দৃশ্য দেখছেন এটা আজ রবিবার (১০ নভেম্বর ২০১৯) দুপুরের তোলা এ চিত্র। নড়াইল সদর হাসপাতালের চারিদিকে নির্মিত হয়েছে এ ড্রেন। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের কোন লিংক বা পয়েন্ট আমাদের চোখে পড়েনি।
এছাড়া ড্রেনের পানি নিষ্কাশনের জন্য নেই কোন আউটলেট ব্যবস্থা।
এদিকে সচেতন মহলের অভিমত অপরিকল্পিত নির্মাণ ও সংস্কার জনদূভোর্গ বাড়াচ্ছে এবং সরকারের অর্থ অপচয় হচ্ছে। বিষয়টি কি কর্তৃপক্ষ ক্ষতিয়ে দেখবেন ?