নড়াইলে সড়ক উন্নয়ন কাজে দুদকের অভিযান

53

নড়াইল কণ্ঠ : ‘লোহাগড়া-ন’হাটা-কালিশংকরপুর-মোহাম্মদপুর জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন কাজের গুণগত মানোন্নয়নে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে।
সোমবার (০৪ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন যশোর অফিসের সহকারি পরিচালক মো: মোশারফ্ফ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। তার সঙ্গে ছিলেন, দুদকের এএসআই আব্দুস সালাম, কনস্টাবল মহসিন হাসান।
এ সময় অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নড়াইলের সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো: ইমরান হোসেন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারি মো: রেজাউল আলম, ঠিকাদার মঈনউদ্দিন দুলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জানা গেছে, নড়াইল জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক)’র লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক প্রচারণার পর এবং মাঠ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’ নম্বরের কল পেয়ে দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে সরেজমিনে চলমান ‘লোহাগড়া-ন’হাটা-কালিশংকরপুর-মোহাম্মদপুর জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন কাজের গুণগত মানোন্নয়নে সড়কের কাজ পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে সহকারি পরিচালক মো: মোশারফ্ফর হোসেন বলেন, ‘মাটির যে কাজটা প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ আছে। হ্যাজিং থেকে এক মিটার কাজ। আমি বললাম যে যেখানে সালিন মাটি আছে, সে মাটিটা ওই রকমই থাকবে। যেখানে মাটি নাই, মাটি নিয়ে আইসে সেখানে এক মিটার পুরন করে দিয়ে স্লোভ করে দিতে হবে, প্লাস কম্প্যাট করে দিতে হবে। এ কথা আমি সড়ক নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের বলে গেলাম। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে বলে যাচ্ছি, তারপরেও যদি সঠিকভাবে না কাজ করে আবার আমরা আসবো।’
এ সময় দুদক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মো: রেজাউল আলম সাহেবকে বলেন, আমরা দেখে গেলাম। সড়কটা যাতে টেকসই হয় সেদিকাটা বিশেষভাবে নজর দিবেন। আপনারা কাজ ভালোভাবে করবেন। এ সময় দুদককে মো: রেজাউল আলম কাজের গুণগত মান বজায় রেখে করার নিশ্চয়তা দেন।
উল্লেখ্য, লোহাগড়া ন’হাটা কালিশংকরপুর-মোহাম্মদপুর জেলা মহাসড়ক নির্মাণ কাজটি নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ঠিকাদার হিসেবে রয়েছে রানা বিল্ডার্স (প্রা:) লি: এস,এস, বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লি: – মেসার্স ইডেন প্রাইভেট -জয়েন্ট ভেন্সার্স বাস্তবায়ন করছে। ১২.১৫০ কিলোমিটার রাস্তার জন্য চুক্তিমূল্য ২৪ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭০ হাজার ২০৬ টাকা। কাজটির কার্যাদেশ দেয়া হয় এ বছরের ০৩ ফেব্রুয়ারি এবং কাজটি শেষ হওয়ার কথা ২০২০ সালের ৩০ জুন মাসে।