চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন : আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আজিজুর রহমান

210

নড়াইল কণ্ঠ : সম্প্রতি পৌরসভার নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তপশীল ঘোষনা দেয় সরকার। আর এ নির্বাচন দলীয় প্রতিকের নির্বাচন। আসন্ন এ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। নড়াইলের সদর উপজেলার ৩নং চন্ডিবরপুর ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মো: আজিজুর রহমান ভুঁইয়া চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার প্রচারনা। ইউনিয়নের সম্ভব্য আ’লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী ৭জন থাকলেও মো: আজিজুর রহমান ভুঁইয়া এলাকায় ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী, ইউনিয়নের সাধারণ নাগরিকরা তাঁর সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

এলাকাবাসি ও বিভিন্ন সামাজিক সূত্রে জানান যায়, মো: আজিজুর রহমান ভুঁইয়া ১৯৮৪ সাল হতে পর পর পাঁচ বার মোট ২৭ বছর একনাগাড় চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাস্ট ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব, বহু স্কুল, মসজিদ, মাদ্রসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করেন। তাঁকে নড়াইলের প্রায় প্রতিটি এলাকার মানুষ একজন ভদ্র ও বিনীয় মানুষ হিসেবে চেনেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী একজন নিবেদিত সৎ মানুষ।

তিনি একান্ত সাক্ষাতকারে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি। দল আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিবে এটা আমার বিশ্বাস ও আশা। দল যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন না দেয় তবে সে ক্ষেত্রে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিব। দল যাকে দলীয় মনোনয়ন দিবে আমি দলের হয়ে তার পক্ষেই কাজ করবো।

আমি চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পুন:রায় নির্বাচিত হতে পারলে এ ইউনিয়নবাসির কল্যাণে কাজ করবো। এছাড়া এ ইউনিয়নের বিদ্যুৎ বিহীন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ, ব্রীজ-কালভাট, রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, বিভিন্ন হাট-বাজার উন্নয়ন, কৃষি উন্নয়ন, খেলার মাঠ উন্নয়ন করবো। তিনি মনে প্রাণে আওয়ামী লীগ করেন। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিসন ২০২১ বাস্তবায়ন ও তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে আজীবন কাজ করতে  প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি পরিবারের যুব-যুবাদের কম্পিউটার শিক্ষার মাধ্যমে ডিজিটাল ইউনিয়নে রূপদান, ইউনিয়নকে বাল্য বিবাহমুক্ত, সর্বোপরি ইউনিয়নকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক এবং সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ আপ্রাণ কাজ করবো। আমি নির্বাচিত হতে পারলে গরীব-দু:খি, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের সেবা করে যাব। এলাকার মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে আমি প্রাধান্য দেব কোনভাবেই তাদের বঞ্চিত করবো না। প্রয়োজনে আমার নিজস্ব অর্থায়নে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করবো। আমি ইউনিয়নের ছোটখাট সকল সমস্যা গ্রামীন আদালতের মাধ্যমে সমাধান করবো।