নড়াইলের আউড়িয়া ইউপি আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী পলাশ মোল্যা

140

নড়াইল কণ্ঠ : সম্প্রতি পৌরসভার নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তপশীল ঘোষনা দেয় সরকার। আর এ নির্বাচন দলীয় প্রতিকের নির্বাচন। আসন্ন এ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। নড়াইলের সদর উপজেলার ৪নং আউড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মো: পলাশ মোল্যা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার প্রচারনা। ইউনিয়নের সম্ভব্য আ’লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৩জন থাকলেও মো: পলাশ মোল্যা ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্র্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী সাথে নিয়ে সাধারণ ভোটার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষৎ করছেন। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকালে এ প্রচার প্রচারনার অংশ হিসেবে বুড়াবাদুরিয়া, নাকশী, পঙ্কবিলা, কমলাপুর, সীমাখালী এলাকায় বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেন।

আউড়িয়া ইউনিয়নের ৩ ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: পলাশ মোল্যা একান্ত সাক্ষাতকারে প্রতিনিধিকে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি। তিনি আরো জানান, দল আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিবে না এটা আমি কল্পনাও করতে পারিনা। দল আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিবে এটা আমার বিশ্বাস ও আশা। দল যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন না দেয় তবে সে ক্ষেত্রে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিব। দল যাকে দলীয় মনোনয়ন দিবে আমি দলের হয়ে তার পক্ষে কাজ করবো।

আমি আউড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হতে পারলে এ ইউনিয়ন বাসীর কল্যাণে কাজ করবো। এছাড়া এ ইউনিয়নের বিদ্যুৎ বিহীন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ, প্রতিটি পরিবারের যুব-যুবাদের কম্পিউটার শিক্ষা, ব্রীজ-কালভাট, রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, বিভিন্ন হাট-বাজার উন্নয়ন, প্রতিটি রাস্তায় লাইট পোষ্ট, কৃষি উন্নয়ন, শিশুদের বিনোদনে জন্য শিশু পার্ক, খেলার মাঠ উন্নয়ন করবো। মাননীয় জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিসন ২০২১ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইউনিয়নকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, ডিজিটাল ইউনিয়ন রূপেদান, সর্বোপরি ইউনিয়নকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবো। আমি নির্বাচিত হতে পারলে গরীব-দু:খি, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের সেবা করে যাব। এলাকার মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে আমি প্রাধান্য দেব কোনভাবেই তাদের বঞ্চিত করবো না। প্রয়োজনে আমার নিজস্ব অর্থায়নে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করবো। আমি ইউনিয়নের ছোটখাট সকল সমস্যা গ্রামীন আদালতের মাধ্যমে সমাধান করবো।