২১আগষ্ট হামলা মামলার পেপার বুক তৈরীতে ৪মাস লাগবে

0
13

নড়াইল কণ্ঠঃ বুধবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী  আনিসুল হক বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২ থেকে ৪ মাস সময় লাগতে পারে। এরপর হাইকোর্টের আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হবে।তিনি বলেন, গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য পেপারবুক তৈরি হলে ‘দ্রুত’ শুনানির জন্য আবেদন করবে রাষ্ট্রপক্ষ । তিনি বলেন  এই মামলার পেপার বুক তৈরি হওয়ার জন্য যে আনুসঙ্গিক কার্যক্রম সেটা শুরু হয়ে গেছে। যেমন কাগজপত্র আসার পরে সেটা সেটিং হয়, তারপরে এটা বিজি প্রেসে চলে যায়। আমি বলতে পারি একাজ শুরু হয়ে গেছে।মন্ত্রী বলেন, আমরা প্রসিকিউশন থেকে দেখবো এই পেপারবুক তৈরির কাজটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা যেন হয়। এই মামলার মোট স্বাক্ষী ২২৫ জন, ফলে এই মামলার পেপারবুক অনেক বড় হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত মামলাটির শুনানি শুরু করতে । আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২১ আগস্ট মামলায় পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের রায় কার্যকর করা আমাদের পক্ষে সম্ভব। আমরা তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি এবং তা চালিয়ে যাচ্ছি । ২১ আগস্টের গ্রেনেট হামলা ও হত্যা মামলার রায়ে কিছু সংখ্যক লোকের ফাঁসি হয়েছে, কিছু আসামির যাবজ্জীবন হয়েছে। ফাঁসি হওয়ার কারণে তা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে চলে গেছে। তিনি বলেন, যারা যাবজ্জীবন পেয়েছেন তারাও হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ম হচ্ছে, ডেথ রেফারেন্স ও যাবজ্জীবন সাজাটাকে একসঙ্গে ট্যাগ করে তারা শুনানি করেন । সে ক্ষেত্রে কিছু ফরমালিটিজ আছে সেগুলো কমপ্লিট করতে হয়।এক্ষেত্রে যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদের পেপারবুক সরকারের তৈরি করে দিতে হয় বিজি প্রেসের মাধ্যমে। এই পেপারবুকের মধ্যে মামলার যাবতীয় কাগজপত্র থাকে । এটা তৈরি করে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয় এবং শুনানি হয়।আমরা আশা করি, এই রায় কার্যকর করার জন্য তাদের ফিরিয়ে আনা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে।মামলার রায় পরবর্তী কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে বলেন, বিচারিক আদালত যদি কাউকে ফাঁসি দেয় তাহলে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭০ ধারা অনুযায়ী সেই মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যায়।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here