ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টাইগারদের জয়

61

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক : বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ৩২২ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু এত বড় স্কোরকেও একেবারে মামুলি টার্গেট বানিয়ে ফেলল টাইগাররা। সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের ব্যাটিং তাণ্ডবে ৫১ বল বাকি থাকতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারাল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। পাঁচ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় জয়। ৫ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এখন পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, পাঁচ ম্যাচ খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এটি তৃতীয় হার। তাদের মোট পয়েন্ট ৩।

বিশ্বকাপে সোমবার টনটনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ৩২২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪১.৩ ওভারে তিন উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সাকিব আল হাসান ৯৯ বলে ১৬টি চারের সাহায্যে ১২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ওয়ানডেতে এটি তার নবম সেঞ্চুরি। তবে বিশ্বকাপে এটি তার টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এবং বিশ্বকাপে এটি তার সেরা ইনিংস। এর আগে গত ৮ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন সাকিব। অন্যদিকে, লিটন দাস ৬৯ বলে ৮টি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। বিশ্বকাপে লিটনের এটি অভিষেক ম্যাচ ছিল।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে নেলসনে স্কটল্যান্ডের দেয়া ৩১৯ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৫২ রানে প্রথম উইকেট হারায়। আন্দ্রে রাসেলের বলে গেইলের হাতে ক্যাচ হন সৌম্য সরকার। তিনি করেন ২৩ বলে ২৯ রান। এরপর সাকিব ও তামিম ৬৯ রানের জুটি গড়েন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান তামিম। শেল্ডন কটরেলের করা ১৮তম ওভারের তৃতীয় বলটি স্ট্রেইট খেলে রান নেয়ার জন্য ঝুঁকেছিলেন তামিম। কিন্তু বলটি ধরে ফেলেন কটরেল। সাথে সাথে স্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্প ভেঙে দেন তিনি। হতাশ হয়ে ফিরতে হয় তামিমকে। তিনি করেন ৪৮ রান। এরপর মুশফিক নেমে হতাশ করেন দলকে। ১৯তম ওভারে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। ৫ বলে মুশফিক করেন মাত্র এক রান। দলীয় ১৩৩ রানে মুশফিক ফিরে যাওয়ার পর সাকিব ও লিটন ১৮৯ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২১ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয়রা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৬ রান করেন শাই হোপ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন এভিন লুইস। ২৬ বলে ৫০ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। ১৫ বলে ৩৩ রান করেন জ্যাসন হোল্ডার। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৩টি ও সাকিব আল হাসান ২টি করে উইকেট শিকার করেন।