ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারালো

43

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক : বড় জয়ের মধ্যদিয়ে দ্বাদশ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের মিশন শুরু করলো প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে। প্রথমে পেসারদের নৈপুণ্যের পর ক্রিস গেইলের হাফ সেঞ্চরিতে মাত্র ১৩.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবিয়রা। ৩৪ বল মোকাবেলায় ছয় বাউন্ডারি ও তিন ওভার বাউন্ডারিতে ৫১ রানে আউট হন গেইল। এই ইনিংসের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিকও বনে গেলেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে তিনটি উইকেটই নিয়েছেন পেসার মোহাম্মদ আমির। এ জন্য ৬ ওভার বোলিং করে তিনি খরচ করেছেন ২৬ রান।
এর আগে টস হেরে আগে আগে ব্যাটিং করতে নামে পাকিস্তান। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হওয়া ওশানে থমাসের চার উইকেট শিকারের সুবাদে নটিংহ্যামে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে মাত্র ১০৫ রানে গুটিয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটাই পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্ব নিম্ন রানের স্কোর।
থমাসের ২৭ রানে চার, জেসন হোল্ডারর ৪২ রানে তিন এবং আন্দ্রে রাসেলের ৪ রানে দুই উইকেট শিকারের সুবাদে মাত্র ২১.৪ ওভারেই গুটিয়ে যায় টসের বিপরীতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা পাকিস্তান।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের ম্যাচে ওপেনার ফখর জামান ও বাবর আজম উভয়েই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২২ রান করে করেন।
কেবলমাত্র দুই ব্যাটসম্যান ওয়াহাব রিয়াজ(১৮) এবং মোহাম্মদ হাফিজ(১৬) দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে সক্ষম হন। শেষ জুটিতে মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে ইনিংসের সর্বোচ্চ ২২ রানের জুটি গড়েন রিয়াজ। তিন রানে অপরাজিত থাকেন আমির।
এর আগে এডিলেডে ১৯৯২ আসরে অস্ট্রেলিযার বিপক্ষে ৭৪ রানে অলআউট হওয়ার পর বিশ্বকাপে এটা ছিল পাকিস্তান দলের দ্বিতীয় সর্ব নিম্ন রানের স্কোর ।
স্কাই স্পের্টসকে থামস বলেন, ‘আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা, এটা আমার প্রথম বিশ্বকাপ। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আন্দ্রে রাসেল আমাদের হয়ে কাজটা শুরু করেন। আজ কেবল তার পদাঙ্ক অনুসরন করেছি ।’
বাঁ-হাতি শেলডন কট্রেলের বলে উইকেটের পিছনে শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন ২ রান করা ইমাম উল হক।
এরপর জোড়া আঘাত হানেন রাসেল। নিজের প্রথম ওভারেই ফখরকে এবং এরপর ৮ রান করা সোহেলকে।
ইনিংসের ১৪তম ওভারে থমাসের বলে হোপের কাছে ক্যাচ দিয়ে বাবর আউট হলে ৬২ রানে ৪ উইকেটে পরিণত হয় পাকিস্তান।
নয় বলের ব্যবধানে মাত্র তিন রান খরচ করে সরফরাজ আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম এবং হাসান আলীকে আউট করেন হোল্ডার।
কিছুক্ষন পর বাউন্ডারি হাকিয়ে রিয়াজ পাকিস্তানের ১০০ রান পূর্ণ করেন।
স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারীতে নিষিদ্ধ হওয়ায় ২০১১ ও ২০১৫ আসর মিস করা আমির পাকিস্তানের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ খেলছেন।