বর্তমান সরকারের উদ্ভাবনী উদ্যোগ : নড়াইলে প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্য ও অগ্রগতি

39

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক : ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, আজকের শিশু আগামি দিনের ভবিষ্যৎ’। বর্তমান সরকারের নতুন নতুন ইনোভেটিভ আইডিয়ার ফসল বছরের প্রথমদিনে শিশুদের হাতে নতুন বাই তুলে দেয়া। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ এক অন্যরকম অনুভুতি। বর্তমান সরকার সেই অনুভুতিকে প্রধান্য দিয়ে স্কুলগামি কমলমতি শিশুর উন্নত চিন্তার পথ সুগম করে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল জেলাও শিক্ষার অধিকার থেকে পিছিয়ে নেই। প্রতি বছর ১ জানুয়ারিতে নড়াইল জেলায় শতভাগ বিনামূল্যে ৪৩ লক্ষ ৩০ হাজার ২৮০ খানা পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়। এ সরকারের আমলে ২০২টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়হী গ্রামে ৭টি নতুন সরকারি বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।
নড়াইলকে ১৯৮৫ সালে জেলায় উন্নিত করা হয়। সেই থেকে বিগত সরকারের নিকট দাবি করে আসছিল এ জেলায় একটি পিটিআই স্থানপ করা হোক। সেই কাঙ্খিত দাবি বর্তমান সরকার পুরন করেছে। বর্তমান এ জেলায় প্রাইমারি বিদ্যালয়ের ৮৬টি নতুন ভবন নির্মাণ করেছে, বিদ্যালয়ের ভবন পুন:নির্মাণ করেছে ১৮০টি, অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করেছে ২৯৯টি, বিদ্যালয়ের বড়ধরনের মেরামত করেছে ২৩৬টি, বিদ্যালযের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছে ৪৬ যা বিগত সরকারের আমলে একটিও করা হয়নি, নলকুপ স্থানপন করা হয় ২১৭টি, টয়লেট নির্মাণ হয় ৩২৮টি, ল্যাটপ ও মাল্টিমিডিয়া উপকরণ দেয় হয়েছে যথাক্রমে ৩৫০ ও ১৬৯টি যা বিগত সরকারের আমলে এধরনের কোন চিন্তাই করেনি তারা। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি টাকা সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত ভাবে বিতরণের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং চালু করা হয়েছে, এ জেলাতে স্কুল ফিডিং চালু করা হয়েছে ১৭০টি, ৪৯৭টি বিদ্যালয়ে মিড- ডে মিল চালু করা হয়েছে, যা আগের সরকারের আমলে কমলমতি শিশুদেও বিকাশের জন্য কিছুই ভাবা হয়নি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অঙ্গন, শিক্ষক, অভিভাবক এবং ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক ব্যয় মিটানোর জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়কে বাৎসরিক ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতন্ত্র, মূল্যবোধ, নৈতিকতাবোধ সৃষ্টির জন্য স্টুডেন্ট কাউন্সিল চালু করেছে এ সরকার, প্রতিটি স্কুলে হেলথ কেয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা, মা সমাবেশ, উঠান বৈঠাক নিয়মিতভাবে চালিয়ে আসছে সংশ্লিষ্টরা। আসুন আমরা সবাই মিলে আগামি প্রজন্মকে লালন করি, বইপড়তে সহযোগিতা করি। আমরা জানি বর্তামন সরকার প্রতিটি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রোজেক্টরে কমলমতি শিশুদের ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। বিশ্বেও সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে।