শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন

21

সংগ্রাম, উন্নয়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও অসাধ্য সাধনে তিনি যেন অদ্বিতীয়। বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশকে এমন এক অস্পৃশ্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন, যা দেখে বিশ্ববাসী বিস্মিত। একের পর এক সকল বাধা ছিন্ন করে বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে এনে দিয়েছেন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি।
সারা দুনিয়াকে মন্ত্রমুগ্ধ করে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন অপ্রতিরোধ্য গতিতে।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড কিংবা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারে সত্যিকার অর্থেই তাঁর রাষ্ট্রনায়কসুলভ ভূমিকায় প্রশংসা এসেছে সব মহল থেকেই।
যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার, তাতে অনেক স্বভাবজাত নিন্দুকের মুখেই যেন ‘রা’ নেই। আওয়ামী লীগের ঘোর সমালোচক বা এন্টি আওয়ামী লীগ শ্রেণিও এককথায় স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, উন্নয়নে আওয়ামী লীগের ধারেকাছেও কেউ নেই।
বেশকিছু মেগা প্রকল্পের উদাহরণই দেয়া যাক। এসব প্রকল্পের কয়েকটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হওয়ায় তার সুফল ভোগ করছেন দেশবাসী। স্বপ্নের পদ্মা সেতু প্রকল্প, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ আরো কিছু মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে সমানতালে। অচিরেই বাস্তবে রূপ নিতে যাওয়া এসব প্রকল্প বাংলাদেশকে করে তুলবে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী।
বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান বিশ্লেষকগণ ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে এশিয়ার রাইজিং টাইগার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্পেও বাংলাদেশ লাভ করেছে ব্যাপক সাফল্য।
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, সামাজিক বনায়ন, ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি, কৃষকের হাতে হাতে সার, কীটনাশক পৌঁছে দেয়া, শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে কমিয়ে আনা, মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়িয়ে ছয় মাস করাসহ কী নেই বাংলাদেশের সাফল্যের ঝুড়িতে! আর এর সবই সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অসীম দেশপ্রেম ও সময়োচিত পদক্ষেপের কারণেই।
তাঁর মেধা ও প্রজ্ঞার কাছে ইস্যুবিহীন বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরাও পরাজিত হয়ে আসছে বারবার। সর্বশেষ সংলাপেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বুদ্ধিদীপ্ত সব প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তাদের ‘গোবেচারা’ ভাব ছিল দেখার মতো।
সমিলিয়ে চারিদিকেই আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জয় জয়কার, সবার মুখে একই কথা ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাপকা বেটি’।