ড.খন্দকার মোশারফের অফুরন্ত ধনভান্ডার

0
16
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

একযুগ ধরে ক্ষমতার বাইরে, কিন্তু তাতে কি? ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচ বছরে যে সম্পদ গড়া হয়েছে, সেইসব সম্পদ নিশ্চিন্তে ড. খন্দকার মোশারফের পরের পরের পরের একাধিক পুরুষরাও শেষ করতে পারবে না। বিএনপির সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রে সকল প্রবাদ উল্টে যায়। এক পুরুষে গড়ে ধন,একপুরুষে খায়; আর এক পুরুষ এসে দেখে কিছুই শেষ হয় নাই।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রি থাকাকালীন ড. খন্দকার মোশারফ তাঁর ক্ষমতা অপব্যবহার করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন এবং সেই অর্থ তিনি রেখেছেন ব্রিটেনের একটি ব্যাংকে। লয়েডস টিএসবি প্রাইভেট ব্যাঙ্কিংয়ের সেন্ট পিটারপোর্টের গারন্‌সে অঞ্চলের চ্যানেল আইল্যান্ড শাখায় বিএনপি-র স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য মোশারফ এবং তাঁর স্ত্রী বিলকিস আখতারের জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে জমা আছে ওই টাকা। টাকার পরিমান ২২৯ কোটি টাকা। জ্বী হ্যা। দুইশত উনত্রিশ কোটি টাকা।
তবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ। ঢাকায় যেমন গুলশান, লন্ডনের অরপিংটন তেমনই ধনীদের বিশেষায়িত অভিজাত এলাকা। এই এলাকায় ড. খন্দকার মোশারফের বাড়ী দেখে খোদ বৃটেনের ধনীরাই চমকে ওঠেন। বেশীরভাগ লন্ডনবাসী বাড়ীটি তেলসমৃদ্ধ কোন আরব ধনকুবেরে ভেবে ভুল করে থাকেন। এটা তৃতীয় বিশ্বের দারিদ্রপীড়িত কোন এক দেশের দূর্নীতিবাজ মন্ত্রীর বাড়ী – এই তথ্য তারা ভাবতেও পারেন না। গরীব মানুষ শোষণের টাকায় এমন বাড়ীও করা সম্ভব? অবশ্য আজকের লন্ডন আর করাচী শহরতো এই পূর্ব বাংলার সম্পদেই গড়া। ধারণা করা হয় বাড়ীটির আনুমানিক মূল্য প্রায় একুশ লক্ষ পাউন্ড যা বাংলাদেশী টাকায় সাড়ে বাইশ কোটি টাকারও বেশী।
না। প্লিজ যাবেন না, আরও আছে। ড. খন্দকার মোশারফের নির্বাচনী এলাকায় যাওয়া যাক এবার। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ‘ক’ তফসিলভূক্ত মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০০ একর। ড. খন্দকার মোশারফ ২০০২ সালে কয়েক পর্যায়ে ৪০ একর জমি কিনে রাখেন । হিসেব করলে দাড়ায় দাউদকান্দির মোট জমির ২০% জমির মালিক বিএনপির অঘোষিত চেয়ারম্যান ড. খন্দকার মোশারফ। ২০০৪ সালে তিনি সেখানে ১৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ম‌ৎস খামার গড়ে তোলেন। খামারে যাওয়ার সুবিধার্থে সরকারের কোষাগার থেকে ৪৪ লক্ষ টাকা নিয়ে একটি সেতু নির্মান করেন। ব্যক্তিমালিকানাধীন খামারের ভেতর সেই সেতু স্থাপিত হওয়ায় জনসাধার কোন কাজে আসে না।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘স‌ৎ মানুষের খোঁজে’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলেন ড.খন্দকার মোশারফ। এই স‍‌ৎ মানুষটিকে বিএনপি হাই কমান্ড তারেক রহমানের পরিবর্তে চেয়ারপার্সন ঘোষণা করেছে। তবে দলের চেয়ারপারসন পদে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটকারী এবং জঙ্গী মদতদাতা তারেক রহমানের পরিবর্তে ড. খন্দকার মোশারফকে নির্বাচিত করাকে অনেকে মন্দের ভালো বলে ভাবতে শুরু করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here