নড়াইলে নদী, খাল, জলাশয়ের পানি প্রবাহ অব্যাহত রাখতে কচুরিপানা পরিস্কার অভিযান : কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হবে জৈবসার

102

নড়াইল কণ্ঠ : ‘গ্রীন নড়াইল ক্লিন নড়াইল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নদী, খাল ও জলাশয়সমূহের কচুরিপানা পরিস্কার অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নড়াইল পৌরসভাধীন গাড়োচোরা খালের কচুরিপানা অপসারণের মাধ্যমে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।
এরপর সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের মালিবাগ মোড় সংলগ্ন খাল ও মালিবাগ মোড়ের মজাপুকুর, লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের মরাখাল এবং কালিয়ার বাঐসোনা ইউনিয়নের বাঐসোনা খালের কচুরিপানা অপসারণ করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহনেওয়াজ, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুবুর রশীদ, সদরের ইউএনও সালমা সেলিম, লোহাগড়া ও কালিয়ার ইউএনও, জেলা চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মো: হাসানুজ্জামান, পৌর কাউন্সিলর কাজী জহিরুল হক, কাউন্সিলর শরফুল আলম লিটু, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর সিদ্দিকী প্রমুখ।
এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহায়তায় জেলার ৩টি উপজেলায় একই সাথে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এদিকে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, চিত্রা ও নবগঙ্গা নদীর কচুরিপানা অপসারণ বিষয়টি মাগুরা জেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কারণ এ নদী দু’টি নড়াইল ও মাগুরা জেলার উপর দিয়ে বহমান। ফলে শুধু নড়াইল অংশের কচুরিপানা অপসারণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না, একইসাথে মাগুরা অংশেও কচুরিপানা পরিস্কার করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নিমিত্তে আগামী ২ নভেম্বর একটি টিম নড়াইল জেলার মাগুরা সীমান্ত পরিদর্শন করবে। জেলার নদীসমূহের বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করার পর কচুরিপানা অপসারণ অভিযান করা হবে।
উল্লেখ্য, অপসারিত কচুরিপানা দিয়ে জৈবসার তৈরির জন্য কৃষি বিভাগ কাজ করবে। এ জৈবসার কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হবে।