এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো টাইগাররা

35

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক:জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। ১৪৮ রানের অসাধারণ এক জুটির পর, জয়টা হয়ে দাঁড়ায় সময়ের ব্যাপার। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন ইমরুল কায়েস। আগ্রাসী ভঙ্গীতে খেলা লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ রান।

১৪৮ রানে লিটন বিদায় নেয়ার পর পরই সাজঘরে ফেরেন ফজলে মাহমুদ। এদিনও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই সম্ভাবনাময় ব্যাটসম্যান। স্নায়ুচাপে নিজের উইকেটটা এক রকম উপহারই দিয়েছেন সফরকারীদের। এরপর মুশফিক-ইমরুলের সাবধানী জুটিতে আর মাথা তুলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। দলীয় ২১১ রানের মাথায় ইমরুল আউট হন ৯০ রান করে। একটু সতর্ক হলেই টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা পেয়ে যেতেন টাইগার ওপেনার। এরপর মুশফিক ও মিথুনের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয়নি স্বাগতিকদের। সফরকারী বোলাররা পুরো ম্যাচেই ছিলেন নিষ্প্রভ। টাইগার ব্যাটসম্যানদের অনবদ্য ব্যাটিং প্রদর্শণীতে নিস্তেজ মনে হয়েছে জিম্বাবুয়েকে।

মুশফিকুর রহিম ঠান্ডা মাথায় ৫২ বলে ৪০ রানের ইনিংস উপহার দেন। অন্যদিকে মিথুন অপরাজিত ছিলেন ২১ বলে ২৪ রান করে। ফজলে মাহমুদ ছাড়া আর সব ব্যাটসম্যানেই খেলেছেন চমৎকারভাবে। পরিস্থিতি বুঝে সতর্কভাবে জিম্বাবুয়ের বোলারদের মোকাবেলা করেছেন সবাই। সবচেয়ে বড় কথা বাংলাদেশ তাদের ইনিংসে আধিপত্য বিস্তার করেছে শক্ত হাতে।

এর আগে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৪৭ রানের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সাবলীল ব্যাটিংয়ে এক পর্যায়ে আরো বড় স্কোরের পথে ছিল সফরকারীরা। তবে শেষ দিকে টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাসাকাদজা বাহিনীকে বেঁধে ফেলে টাইগাররা। সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ব্রেন্ডন টেইলর। এছাড়া ৪৯ রান করেন সিকান্দার রাজা। টাইগারদের হয়ে ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২৫০/৩ (৪৪.১ ওভারে)
লিটন ৮৩, ইমরুল ৯০

জিম্বাবুয়ে: ২৪৬/৭ (৫০ ওভারশেষে)
টেইলর ৭৫, সিকান্দার ৪৯
সাইফউদ্দিন ৩/৪৫