নুরজাহানের সঙ্গে সেই ইন্সুরেন্সের কাগজ

0
3
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নুরুল আলমের বউ নুরজাহান বেগম একটা ইন্সুরেন্স করেছিলেন তিন বছর আগে। সেই ইন্সুরেন্সের কাগজ নিতেই সেদিন রাত ১২টার কিছুটা পর বসতঘরে যান নুর জাহান। সেসময় তার কোলে ছিল দুই বছরের ফয়জুন নেসা ও মা জোহরা বেগম (৬০)। জোহরা বেগম কয়দিন আগেই লক্ষীপুর থেকে চট্টগ্রামে মেয়ের বাসায় আসেন বেড়াতে। ইন্সুরেন্সের কাগজ আনতে বাসায় যাওয়ার পর থেকেই অর্থাৎ রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ শুরু হয় ভারিবর্ষণ।
সে কারণে তখন বাসা থেকে তারা কেউ বের না হয়ে সেখানেই অবস্থান করছিলেন। কিন্তু রাত প্রায় আড়াইটা পর্যন্ত টানা বর্ষণ হয়। তার আগে দেড়টার দিকে বিকট শব্দে পাহাড়ের চূড়ার কিছু অংশ ধসে পড়ে নুরজাহানদের বসতির ওপর। এরপর থানা পুলিশ হয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কার্যালয়ে খবরটি পৌঁছে। তারপর রাত প্রায় ৪টা নাগাদ শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। এর পর একে একে বের হয়ে আসে নুরজাহান, ফয়জুন নেসা ও জোহরা বেগমের লাশ। আর সঙ্গে ছিল সেই ইন্সুরেন্সের কাগজ।
ঘটনাটি চট্টগ্রাম মহানগরের আবকর শাহ থানার ফিরোজ শাহ এলাকায়। শনিবার দিনগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল আলমের বউ নুরজাহান বেগম একটা ইন্সুরেন্স করেছিলেন তিন বছর আগে। সেই ইন্সুরেন্সের কাগজ নিতেই সেদিন রাত ১২টার কিছুটা পর বসতঘরে যান নুর জাহান। সেসময় তার কোলে ছিল দুই বছরের ফয়জুন নেসা ও মা জোহরা বেগম (৬০)। জোহরা বেগম কয়দিন আগেই লক্ষীপুর থেকে চট্টগ্রামে মেয়ের বাসায় আসেন বেড়াতে। ইন্সুরেন্সের কাগজ আনতে বাসায় যাওয়ার পর থেকেই অর্থাৎ রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ শুরু হয় ভারিবর্ষণ।
সে কারণে তখন বাসা থেকে তারা কেউ বের না হয়ে সেখানেই অবস্থান করছিলেন। কিন্তু রাত প্রায় আড়াইটা পর্যন্ত টানা বর্ষণ হয়। তার আগে দেড়টার দিকে বিকট শব্দে পাহাড়ের চূড়ার কিছু অংশ ধসে পড়ে নুরজাহানদের বসতির ওপর। এরপর থানা পুলিশ হয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কার্যালয়ে খবরটি পৌঁছে। তারপর রাত প্রায় ৪টা নাগাদ শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। এর পর একে একে বের হয়ে আসে নুরজাহান, ফয়জুন নেসা ও জোহরা বেগমের লাশ। আর সঙ্গে ছিল সেই ইন্সুরেন্সের কাগজ।
ঘটনাটি চট্টগ্রাম মহানগরের আবকর শাহ থানার ফিরোজ শাহ এলাকায়। শনিবার দিনগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেশী যুবক জাহেদুল ইসলাম বলেন, নুরজাহান বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। আর ছেলেকে বিয়ে করিয়ে ঘরে বউ এনেছেন। একমাত্র ছেলে চাকরি করে। অন্য চারজন সবাই ছোট। ঘটনার সময় তারা বাসায় ছিলেন না।
তিনি বলেন, সকালে বাবা নুরুল আলমের সঙ্গে ওই তিনজন ভিক্ষা করতে গেছে। এরপর তারা রাতে আর বাসায় ফেরেনি। সন্ধ্যায় তাদের বাবা তাদেরকে বাসায় না এনে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে গেছে। তবে বড় ছেলে পার্শ্ববর্তী এক বাসায় বিয়ের অনুষ্ঠান দেখে তখন ভিজে ভিজে বাসায় যায়। সেসময় পাহাড় ধসের বিকট শব্দ শুনেই সে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর দেখে মা, বোন ও নানী তিনজনই মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে।
রোববার সেই এলাকা গিয়ে দেখা যায়, যে বসতঘরে নুর জানারা বসবাস করতেন, সেটি পাহাড়ের কূল ঘেঁষা টিনের ঘর। ঘরটি নির্মাণ করতে গিয়ে পাহাড়ের পাদদেশের সব মাটি কুড়ে কেটে ফেলা হযেছে। যার কারণে পাহাড় চূড়াটি ঝুকেছিলো ওই বসতঘরের উপর। যা আগের রাতে ধসে পড়ে ধংসস্তুপে মিশে যায় তিন তিনটি প্রাণ।
গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে সেখানে এগিয়ে আসেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোশেনের স্থানীয় সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ। সে সময় তিনি আলাপকালে জানান, ইউএনডিপির মাধ্যমে এদেরকে পূর্নবাসনের জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ছয়-সাত মাসের মধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, দুর্য়োগের মুহুর্তে নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়, মাইকিং হয়, তার পরেও এরা যায়না। এদের নিজেদের জীবনের মায়া নেই। আমরা কি করবো। সরে যেতে বলা আমাদের দায়িত্ব আমরা তা পালন করছি।
সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তাহাজ্জুত আলী। সেসময় তিনি বলেন, এসব ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলো রক্ষণাবেক্ষণে যদি সংশ্লিষ্ট দাবীদাররা সক্রিয় থাকতো, তাহলে ভাসমান মানুষ ঝুঁকি তৈরি করার সুযোগ পেতো না। এই মুহুর্তে দোষ চাপানো যাবে, কাজের কাজ কিছুই হবে না।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা কিসিঞ্জার চাকমা রোববার দুপুর একটার দিকে গেলেন ধংসস্তুপ পর্যবেক্ষণে। সেসময় রেলওয়ের সার্ভেয়ারসহ আরও অনেকে সঙ্গে যায়। এ পাহাড় ধস ও ভূমির মালিকানা নিয়ে কথা হয় চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা কিসিঞ্জার চাকমার সঙ্গে।
সেসময় তিনি বলেন, জায়গাটি কার এখনও আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। ম্যাপ দেখতে হবে। যদি আমাদের (রেলওয়ের) হয়ে থাকে অতিদ্রুত এখাঁনকার ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার আগে আমরা দেখতে এলামা।
এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বলেন, রেলওয়ে থেকে ওই পাহাড় ও ভূমি লিজ নিয়েছে কনকর্ড। সেখাইে এসব ঝুঁকিপূর্ণ বসতি।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here