নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কেন থামছে না ইলিশ আহরণ

37

 

ইলিশের প্রজনন মৌসুমের ২২ দিন সরকার মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করলেও তা মানছেন না ইজেলেরা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে জাল ফেলছেন তারা
গত ৭ই অক্টোবর থেকে ৩৭টি জেলার সব ক’টি নদীতে এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। যা চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।
এই সময়ের মধ্যে ইলিশ ধরা আইনত দণ্ডনীয় হলেও বিবিসির অর্চি অতন্দ্রিলা মুন্সিগঞ্জে সরেজমিনে দেখতে পান যে বাজারে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে তাজা ইলিশ।
বিশেষ করে লৌহজং এলাকায় ঝাউটিয়ার চরে যেতে যে একটিমাত্র ট্রলার লোকজন পারাপার করে সেখানকার যাত্রীদের বেশিরভাগকে এই ইলিশ কেনাবেচা করতে দেখা যায়।
দিনভর পুরোটা সময় জুড়েই নদীর পাড়ে চলে এই ইলিশ কেনা-বেচা।
নারীদের হ্যান্ডব্যাগ থেকে শুরু করে বস্তা, স্কুলব্যাগ, সুটকেস ভরে প্রশাসনের চোখের আড়ালে এসব ইলিশ তারা সরিয়ে নিচ্ছেন তারা।
ক্রেতাদের মুখে জানা যায় ৪০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে একেকটি ইলিশ
ক্রেতাদের কয়েকজন অভিযোগ করেন যে, পুলিশ তাদের কাছে এসব মাছ পেলে সেগুলো নিয়ে যায়।
তবে এই অবৈধভাবে মাছ ধরার পেছনে প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাবকে দুষছেন লৌহজং জেলা সমিতির সভাপতি পরিমল মালো।
তাছাড়া নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারের পক্ষ থেকে জেলেদের যে প্রণোদনা দেয়ার কথা ছিল সেটা এখনও কেউ হাতে না পাওয়ায় জেলেরা পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে মাছ ধরছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।তবে জেলেদের একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী লোভে পড়ে মাছ ধরছে বলেও জানান পরিমল মালো।
এসব মাছ কৌশলে অস্থায়ী ইলিশের হাঁটে কেনা-বেচা হচ্ছে। তারপর ক্রেতাদের হাতে হাতে মাছগুলো চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন বাজারে।