জজ মিয়া চেয়েছিল তারেক রহমানের ফাঁসি হোক

46

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক :২১ আগস্টের নারকীয় গ্রেনেড হামলা মামলায় আপিলের রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড চান এ ঘটনায় বলির পাঁঠা হওয়া জজ মিয়া। তিনি বলেন, যদিও আশা করেছিলাম তারেক রহমানের ফাঁসি হবে কিন্তু তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এখন রাষ্ট্রপক্ষ হয়তো উচ্চ আদালতে আপিল করবে। উচ্চ আদালতের রায়ে তারেক রহমানের ফাঁসি হোক এটাই আমার চাওয়া।
বুধবার (১০ অক্টোবর) বিকালে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। আবার কিছুটা অসন্তুষ্টও। ১৪ বছর পর রায় পাওয়ায় সন্তুষ্ট। আমি চাই রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।
মূলহোতা বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করে বলেন, আমি চাই তার ফাঁসি হোক।
নোয়াখালীর সেনবাগের কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট গ্রামের মো. জালাল ওরফে জজ মিয়ার নামটি ২১ আগস্ট হামলার ঘটনায় বহুল আলোচিত হয়ে আছে। যদিও এ ঘটনার সঙ্গে তার ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক ছিল না। অথচ নিরপরাধ এই লোকটির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী খেতাব। সঙ্গে মিলেছে জীবনের অনেকগুলো বছর কারাবাস।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত ও কয়েকশ আহত হন। তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট। গ্রেনেড হামলার জন্য ওই সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিরা তখন আওয়ামী লীগকেই দায়ী করেছিলেন। তদন্ত নিয়েও ওঠে নানা প্রশ্ন।
হামলার পরের বছর ৯ জুন বীরকোট গ্রাম থেকে জজ মিয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকায় এনে তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তারা দাবি করেন, তিনিই এ হামলার হোতা। জজ মিয়া তখন ঢাকার গুলিস্তানে ফুটপাতে সিডি-পোস্টারের ব্যবসা করলেও ঘটনার দিন তিনি নোয়াখালীতে তার বাড়িতেই ছিলেন।