অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিয়ে মাশরাফি যা বললেন

0
29
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক: কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। বেশ জমিয়ে বসেছে ইমাম-উল হক আর শোয়েব মালিকের জুটি। শুরুর চাপটা বাংলাদেশের ওপরই চালান করে দিচ্ছে দুজনের জুটি। ক্লান্তিও যেন পেয়ে বসেছে বাংলাদেশকে। ঘামের সঙ্গে দরদর করে বেরিয়ে যাচ্ছে প্রাণশক্তি আর আত্মবিশ্বাস। ঝুলে পড়া কাঁধগুলোকে জাগিয়ে তুলতে যাঁর কিছু একটা করা দরকার ছিল, সেই তিনি করলেন বিশেষ কিছু। এই বয়সেও মাশরাফি মিডউইকেটে হাওয়ায় ভেসে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যে লুফে নিলেন ক্যাচ। সেই ক্যাচটিও কার? শোয়েব মালিকের, এশিয়া কাপে যিনি ছিলেন দারুণ ফর্মে।

শোয়েবকে ওই সময়ে ফেরাতে না পারলে, কে জানে, হয়তো এই ম্যাচের গল্পটা অন্যভাবে লিখতে হতো। সেই ক্যাচের পর সতীর্থদের শরীরীভাষাও গিয়েছিল বদলে। চনমনে বাংলাদেশ তো এরপর ৩৭ রানে জিতেই নিল। বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয় আর সব মিলিয়ে তৃতীয়বারের মতো উঠল এশিয়া কাপের ফাইনালে।

ম্যাচ শেষে এই ক্যাচ নিয়ে মাশরাফিকে বলতেই হতো। মাশরাফি শুধু নিজের কথা বললেন না, ‘আমাদের আজকের ফিল্ডিং নিয়ে গর্ব করা যায়। অনেক দিন আমরা এমন ফিল্ডিং করে দেখাতে পারিনি। আশা করি আজকের পর দলের খেলোয়াড়েরা বুঝবে ভালো ফিল্ডিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখনো আমাদের ব্যাটিং ও বোলিংয়েও উন্নতি করার অনেক সুযোগ আছে। শোয়েব মালিকের ক্যাচটা যে শেষ পর্যন্ত ছাড়িনি, এতে আমি ভাগ্যবান ছিলাম। শোয়েব যে রকম ফর্মে ছিল এবার। শুধু আমি নয়, সব মিলিয়ে আমাদের ফিল্ডিংটা ভালো হয়েছে।’

মাশরাফি এমনই। নিজের কৃতিত্ব নেন না। না হলে মেডেন দিয়ে বোলিং শুরু করা অধিনায়ক প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়েছিলেন। ২৩৯ রানের অল্প পুঁজি নিয়েও লড়াইটা করতে পেরেছে বাংলাদেশ। মাশরাফি অবশ্য কৃতিত্ব দিলেন অন্যদের, ‘আজ একটু অন্য রকম দল নিয়ে খেলতে হয়েছে। সাধারণত আমি বোলিং শুরু করি, কিন্তু আজ মিরাজকে দিয়ে করিয়েছি। বোলাররা সবাই দারুণ বল করেছে। বিশেষ করে আমরা যখন ব্যাটিংয়ে পছন্দমতো রান পাইনি। সেখানেও মুশি আর মিঠুন দারুণ ব্যাটিং করেছে আগের মতো।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here