অবৈধ মুঠোফোন শনাক্ত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

0
24
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক:বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথেই বেশি মোবাইল আসে বাংলাদেশে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এখন দেশে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।
রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়ার জিরাবোতে সিম্ফনির নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি। যা দিয়ে কোন মোবাইল বৈধ আর কোন মোবাইল অবৈধ তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সরকারের জন্য এটি ইতিবাচক দিক হবে। এতে সরকার জেনে নিতে পারবে যে, কোনটি বৈধ বা অবৈধভাবে এসেছে। ফলে এ বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজস্ব বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।’

বাংলাদেশ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে একটি উৎপাদক ও রপ্তানিকারকের ইকোসিস্টেমের ভেতরে প্রবেশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আমরা শুধু পণ্য উৎপাদন করব না, রপ্তানিও করব।’’ সেই স্থানে আমরা পৌঁছে গেছি। কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে দেশে সংযোজিত পণ্য বিদেশে রপ্তান করে তাহলে তাদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এই ক্যাশ ইনসেনটিভ কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল রকমের একটি অবদান। আন্তর্জাতিক বাজারে কেউ বাড়তি ১০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে, এই সুবিধা যে কি পরিমাণ জরুরি ও সুবিধাজনক তা আমাদের যারা রয়েছেন তারা তা সুস্পষ্ট করে বলতে পারবেন।’

সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ মোস্তাফা জব্বারের
সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক চিত্রটি দেখে আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে, ইতোমধ্যেই সিম্ফনি তার নামের জোরে বাইরে থেকে বানিয়ে এনে এই মোবাইলের বাজারের শতকরা ৩০ ভাগ দখল করে রাখতে পারে। আশা করছি তারা তাদের এই কারখানা দিয়ে ৭০ ভাগ বাজার দখল করতে পারবে।’

দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ও সিম্ফনির বিরুদ্ধে টিকে থাকতে ভিনদেশি স্যামসাং দেশে মোবাইল কারখানা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশাল একটি বাজার রয়েছে। অন্যান্যরা যখন আসে তখন চিন্তা করে যে, বাংলাদেশে সস্তা লেবার ব্যবহার করব এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করব। কিন্তু আমাদের দেশের হিসেবটা একটু ভিন্ন। যেমন স্যামসাং বাংলাদেশে এসেছে তার কারণ, তারা দেশে উৎপাদন না করলে ওয়ালটন বা সিম্ফনির সঙ্গে টিকে থাকতে পারবে না।’

সিম্ফনি সূত্র মতে, আশুলিয়ার জিরাবোতে ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এখানে হ্যান্ডসেট সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মাননিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব রয়েছে। এ ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে জাপান ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ।

সিম্ফনির দাবি, কারখানাটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্মার্টফোন কারখানাটিতে প্রাথমিকভাবে বার্ষিক ৩০-৪০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে আটটি প্রডাকশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রডাকশন লাইন করার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here