নড়াইলের লোহাগড়ায় আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২

178

নড়াইল কণ্ঠ : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের কুমড়ী গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষে ৮টি ঘর-বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের দু’জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুমড়ী গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দিঘলিয়া ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ সমর্থিত লোকজনদের সাথে একই গ্রামের আ’লীগ নেতা বনি শেখ সমর্থিত লোকজনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্ধ-সংঘাত, হামলা-মামলা চলে আসছে। বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে বনি শেখ সমর্থিত লোকজন কয়েক মাস ধরে গ্রামের বাইরে অবস্থান করে আসছিল।

গত ১২ জানুয়ারি লতিফুর রহমান পলাশ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে একটি মামলায় নড়াইল আদালতে হাজিরা দিয়ে কারান্তরে যায়। এই সুবাদে বনি শেখ সমর্থিত লোকজন গত মঙ্গলবার গ্রামে ফিরে এসে সংর্ঘবদ্ধ হয়ে রাত সাড়ে সাতটার দিকে লতিফুর রহমান পলাশ সমর্থিত রিয়াজ শেখকে পাশ্ববর্তী কোটো শেখের বাড়িতে আটকিয়ে লাঠি-সোঠা এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটাতে থাকে। এ খবর পেয়ে পলাশ সমর্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে উভয় গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষের ৮টি বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। হামলার মাহমুদ শিকদারও (৩৫) আহত হয়। এলাকাবাসী গুরুত্বর আহত রিয়াজ শেখ (২২) কে প্রথমে লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাড়িঘর ভাংচুরের খবর পেয়ে ওই রাতে নড়াইল জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) কামরুজ্জামান, লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপ্লব সাহা, উপ-পরিদর্শক নয়ন পাটোয়ারী ও শিমুল দাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপ্লব সাহা বলেন, অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।