বিএনপির ৪০ বছরের অপরাজনীতি উন্নয়ন নয়, সমালোচনাই যার রাজনীতির হাতিয়ার

39

সামরিক লেবাসে গণতন্ত্রের কথা বলে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয় বিএনপি। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি দল মানুষের কথা বলে, বলে উন্নয়নের কথা, প্রগতির কথা। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ৪০ বছরে বিএনপির অবদান কি? ইতিহাস বলে- বিএনপি দেশের উন্নয়নের পরিবর্তে কেবল সমালোচনা নির্ভর দোষারোপের রাজনীতি করেই কাটিয়ে দিয়েছে ৪০টি বছর। আর তাই দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে, ঠিক তখনই লন্ডনে বসে দেশপ্রেমের মায়াকান্না কেঁদে ভাষণ দিল তারেক রহমান।

লন্ডন বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঘন্টাব্যাপী দীর্ঘ বক্তব্য দেন তারেক। কিন্তু তার ভাষণে কোথাও আসন্ন নির্বাচন বা দেশের উন্নয়ন বা সমৃদ্ধি নিয়ে কোন কথা নেই। অথচ একটি গণতান্ত্রিক দলের প্রধান আলোচ্য বিষয়ই হল নির্বাচন। দলীয় নেতাকর্মীরা অনেকটাই আশায় থাকলেও তাদের প্রতি বরাবরের মতোই কোন দিক নির্দেশনা আসেনি।

দলীয় দ্বিধা বিভক্তিতে এমনিতেই অনেকটাই নাকাল বিএনপি। এর মধ্যে দরজায় করা নাড়ছে জাতীয় নির্বাচন। আওয়ামী লীগ জনকল্যাণ এবং জনসম্পৃক্ততার জন্য অনেকটাই এগিয়ে নির্বাচনী দৌড়ে। মানুষের কাছে আওয়ামী লীগ এখন উন্নয়নের প্রতীক। সড়ক, বিদ্যুৎ কিংবা বৈদেশিক বাণিজ্য- সর্ব ক্ষেত্রেই দুর্বার যাত্রার স্বাক্ষর রেখেছে বর্তমান সরকার। অনেকটাই দিশেহারা বিএনপি তাই নির্বাচনে ভরাডুবির আশংকায় শংকিত।

তারেক রহমানের বক্তব্যের কোথাও উন্নয়নের কথা নেই, নেই কিভাবে দেশ আরো এগিয়ে যাবে- এ বিষয়ক কোন পরিকল্পনার কথা। একজন দলীয় প্রধান, যিনি রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের স্বপ্ন দেখেন, তার কথার কোথাও স্থান পেল না দেশ, মানুষ বা উন্নয়নের কথা। এমন দোষারোপের রাজনীতি বর্তমান যুগে অচল। আর তাই তারেকের এমন দিকপাল শূণ্য বক্তব্য জনসমর্থন তো দূরের কথা, হাসাহাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে।