বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে ৫ প্রতিষ্ঠান

39

সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম দেশে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেন। বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয় সেসময়।
১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়। ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশের প্রতি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অবদান স্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের নামে স্কুলবিহীন গ্রামে ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছেন গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভায় এ পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনুমোদন দেয়া হয়। ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘরে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
পাঁচটি বিদ্যালয় হলো- সোনামুই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমোহাইল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাতুটিয়া শেখ রেহানা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আজগড়া শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ গ্রাম গুলোতে এর পূর্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না। এলাকার দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বঞ্চিত ছিল। এমতাবস্থায় উপজেলা চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে এবং বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তির অনুদানে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। স্কুলের জমি কেনা, আসবাবপত্র ক্রয় এবং শিক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেখানে ভবন নির্মাণ করে দেয়। এ পাঁচ বিদ্যালয়ে ঝরে পড়াসহ প্রায় দুই হাজার দরিদ্র শিশু এখন অবৈতনিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, বঙ্গবন্ধু পরিবারকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য শিক্ষা বঞ্চিত এলাকায় এসব স্কুল করা হয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের যে অপরিসীম অবদান সেটি চিন্তা করেই তাদের নামে নামকরণ করা হয়েছে।