প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের ৫ বছরেও চালু হয়নি ঝিনাইদহের খাবার স্যালাইন ফ্যাক্টরী

45

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: সরকার যেখোনে দেশের আপমর জনগণের কল্যাণে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিণিœ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠিান নির্মাণ করছে, ঠিক তখনই এমন কিছু প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর অচল পড়ে আছে । তেমনই একটি প্রতিষ্ঠান ঝিনাইদহ ওরাল স্যালাইন ফ্যাক্টরি। নির্মানের দীর্ঘ পাঁচ বছরেও চালু হয়নি এই ফ্যাক্টরী। ফলে খাবার স্যালাইনের সুবিধা থেকে যেমন এলাকার মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি অযতœ-অবহেলায় ঝোপঝাড় আর আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়েছে কারখানাটি,নষ্ট হচ্ছে ভবনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থের কথা ভেবে ৯৮.৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১২ সালে শহরের মদনমোহনপাড়ায় নির্মাণ করা হয় খাবার স্যালাইন কারখানা নির্মাণ কাজ শেষে পরবর্তী বছর অক্টোবর মাসে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন ।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন অযতœ-অবহেলায় পড়ে থাকায় ফ্যাক্টরীটি যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি রাতে বখাটে ও নেশাখোরদের নিরাপদ স্থানে পরিনত হয়েছে।
ঝিনাইদহ সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সভাপতি আবু তাহের জানান, পানিশূণ্যতা পূরণ কিংবা ডায়রিয়া রোগে নিতান্তই প্রয়োজন ওরাল স্যালাইন। কারখানার ভেতরে বিদ্যুতের তার, ফ্যান লাইট এর ব্যবস্থা থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে সেগুলোও নষ্ট হতে চলেছে। এমন অবস্থায় পড়ে থাকলেও ফ্যাক্টরীটি চালু করার কোন উদ্যোগ নেই স্বাস্থ্য বিভাগের ।
এলাকার আব্দুর রহমান মন্ডল জানালেন, শুরু থেকেই অযতœ, অবহেলায় পড়ে আছে স্যালাইন ফ্যাক্টরী। ভবনের চারিপাশে ঝোপ-ঝাড়ে ভরে গেছে, ভিতর ও বিভিন্ন কক্ষে সৃষ্টি হয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। ভেঙে যাচ্ছে দরজা-জানালা।
ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন ডা: রাশেদা সুলতানার সাথে অঅলাপ করলে তিনি জানান, জেলায় প্রতি মাসে ওরাল স্যালাইনের চাহিদা এক লাখ প্যাকেট যার পুরোটাই যশোর থেকে আনতে হয়। কিন্তু লোকবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি চালু করা যাচ্ছে না । ঝিনাইদহের এই স্যালাইন ফ্যাক্টরীটি চালু হলে জেলার চাহিদা পুরণ করেও অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব।