১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক

47

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার ১৬ই আগস্ট দুদকের একটি ঘনিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।

উক্ত সূত্র বলছে, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি থাকাকালীন শুধু মাত্র শেয়ার বাজার থেকেই ৫০০ কোটি টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন। সোনালী ব্যাংক থেকে ২’শ কোটি টাকার ঋণ তুলে তা আর ফেরত দেন নি। সঙ্গে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জোনাল চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ৩’শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে যথাক্রমে দুইশত কোটি টাকা গায়েব করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মূলত এসব কারণেই দুদক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে তলব করেছে বলে জানা যায়।

এ প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। অভিযোগ রয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন আমীর খসরু সাহেব যে সব সরকারি দায়িত্বে ছিলেন, তার প্রতিটি ক্ষেত্র থেকেই বিপুল পরিমানে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তিনি অবৈধভাবে বিদেশে অর্থ পাচারও করেছেন। যার ভিত্তিতে আগামী ২৮ আগস্ট আমীর খসরু মাহমুদকে তলব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) দুদক থেকে তাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

তিনি জানান, দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে আমীর খসরুকে দুদক কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত কিছুদিন তাকে দলের কোনো কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। নিজের দুর্নীতির খবর দুদকের জানাজানি হবার পর থেকেই তিনি নিরুদ্দেশ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির একাধিক নেতা কর্মীরা।