সিসিক নির্বাচনী প্রচারনায় বিএনপি’র গণসংযোগে বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজনের বিশৃঙ্খলার অভিযোগ

36

নড়াইল কণ্ঠ: সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রচারণায় ব্যস্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম।
জানা গেছে, সিলেট নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের এই ত্রিমুখী দ্বন্দ্বের মধ্যেই আরিফুল হকের পক্ষে কৌশলে ঢুকে পড়েছে বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিমের লোকজন। তারা আরিফুলের গণসংযোগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে এবং জনগণের কাছে আরিফুলের গণসংযোগ ও প্রচারণা কার্যক্রম বিতর্কিত করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এমন ঘটনা ঘটায়।
গত ১১ জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর গণসংযোগে বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, আরিফুল হকের গণসংযোগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিমের লোকজন। যারা নামমাত্র আরিফুল হকের হয়ে কাজ করছে।
সূত্র বলছে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন না দিয়ে বদরুজ্জামান সেলিম নিজেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকার মতো সিদ্ধান্ত নেয়ায় এরইমধ্যে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। আর বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি আরিফুল হকের অনুরোধের সেলিমকে বহিস্কার করে। আর এই তথ্য জানার পর সেলিম কৌশলে আরিফুল হকের গণসংযোগে তার বিশ্বস্ত কর্মীদের ঢুকিয়ে দিলে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন আরিফুল হক চৌধুরী। জেলা পরিষদের সামনে যাওয়ার পর খন্দকার মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরীর সামনেই নেতাকর্মীরা হাতাহাতি শুরু করেন। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা।
প্রসঙ্গত, আরিফুল হক চৌধুরীর গণসংযোগে বিশৃঙ্খলা বিষয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। অন্যদিকে আরিফুল হকও নীরব।