যশোরকে অচিরেই আবর্জনাম্ক্তু শহর হিসেবে ঘোষণা করা হবে -মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার

0
19
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইল কণ্ঠ: যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু বলেছেন, আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে যশোর পৌরসভাকে আবর্জনামুক্ত শহর হিসেবে ঘোষণা করা হবে। সেই লক্ষ্যে দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে। আগস্টের মধ্যে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে আধুনিক ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা বিষয়ে বলেন, যেহেতু ড্রেনের কাজ এখনো শেষ হয়নি তাই কিছু কিছু স্থানে বাঁধ দেয়া আছে। ড্রেনের কাজ শেষে বাঁধ খুলে দিলে জলাবদ্ধতা সমস্যার উন্নতি হবে। বর্ষার কারণে বর্তমানে রাস্তা কার্পেটিংয়ের কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষে আবারো পুরোদমে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা হবে।
যশোর পৌরসভার উদ্যোগে এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), যশোরের সহযোগিতায় পৌরসভার সেবার মানোন্নয়নে করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আজ বেলা ১২:৩০ মিনিট পৌরসভার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর মেয়র মো: জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু। সভা সঞ্চালনা করেন সনাক যশোরের সভাপতি অধ্যাপক সুকুমার দাস। বক্তব্য দেন সনাক সদস্য অধ্যক্ষ শাহিন ইকবাল, এ্যাড: সৈয়দা মাসুমা বেগম, এ্যাড: প্রশান্ত দেবনাথ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মোকছিমুল বারী অপু, শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি, শেখ জাহাঙ্গীর আহম্মদ সাকিল, সন্তোষ কুমার দত্ত, রাশেদ আব্বাস রাজ, মোছা: আইরিন পারভীন ডেইজি, নাসিমা আক্তার জলি, মো: আলমগীর কবির সুমন, টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার এ. এইচ. এম. আনিসুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সনাক, যশোরের সহ-সভাপতি ও সনাক এর স্থানীয় সরকারি বিষয়ক উপ-কমিটির আহবায়ক মো: মবিনুল ইসলঅম মবিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে যশোর পৌরসভার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সমস্যা সমাধানে করণীয় বিষয়ে সুপারিশমালঅ তুলে ধরেন। এতে যে বিষয়গুলো উঠে আসে তা হলো- ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও ব্যবসায়িক এলাকায় সম্ভব হচ্ছে না; রাস্তা দখল করে বাড়ী তৈরীর মালামাল রাখা হচ্ছে; শহরের লাইটিং ব্যবস্থা সন্তোষজনক; শহরে একটি হকার্স মার্কেট চালু করা হয়েছে; লালদীঘিকে আরো দৃষ্টিনন্দন করার কাজ চলছে; রোড ডিভাইডার তেরী করা হয়েছে এবং সেখানে গাছ লাগানো হয়েছে; মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ; রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ উন্নয়ন কার্যক্রম; শহরের কোথাও কোথাও তীব্র যানজট; শহরের ছোট ছোট গলিতে/রাস্তায় ভারী যানবাহনে প্রবেশ করছে; বৃষ্টি হলেই শহরের কোথাও কোথাও প্রচন্ড পানি জমে যায়; খোলা জায়গায় এবং কোথাও কোথাও মেইন রাস্তার উপর ডাস্টবিনের ময়লা-আবর্জনা; মশার উপদ্রব ইত্যাদি। সমস্যা সমাধানে যেসকল সুপারিশ তুলে ধরা হয় হলো- ব্যবসায়িক এলাকার ফুটপাতগুলোও দকলমুক্ত করা; মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখা ও আরো জোরদার করা; রাস্তা দখল করে বাড়ী তৈরীর মালামাল যাতে রাখতে না পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ; শহরের রাস্তাঘাট মেরামত করার উদ্যোগ গ্রহণ এবং সেটা যাতে দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগি থাকে তা নিশ্চিত করা; যানজট নিরসনে সড়ক প্রশস্তকরণ, ট্রাফিক অবস্থার উন্নয়ন ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা; শহরের ছোট ছোট গলিতে/রাস্তায় ভারী যানবাহন প্রবেশ বন্ধ করা; জলাবদ্ধতা দূরীকরণে পানি নিস্কাশনের ভাল ব্যবস্থা গ্রহণ; খোলা জায়গায় বা মেইন রাস্তার উপর যাতে ডাস্টবিনের ময়লা-আবর্জনার রাখা না হয় তার ব্যবস্থা গ্রহণ; মশার উপদ্রব বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ; ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন, পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্তি উন্নয়ন, হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কোরবানী ঈদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভাবনা গ্রহণ করে মাস্টার প্লান করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here