বরিশালবাসীর কাছে ‘যুবরত্ন’হিসেবে পরিচিত সাদিক আব্দুল্লাহ

0
14
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

‘যুবরত্ন’ উপাধিটি দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম ইমামুল হক। বরিশাল শহরের বিবির পুকুরপাড়ে ঝুলছে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিশাল ছবি। শহরজুড়ে নেতা-কর্মীদের পোস্টার-ব্যানারেও আছেন তিনি। বরিশালের সাধারণ মানুষেরা সুখে দুঃখে যাকে পাশে পান তিনিই সাদিক আবদুল্লাহ।
রাজনীতিতে মাত্র তিন বছরেই জনপ্রিয় সাদিক আবদুল্লাহ। ২০১৬ সালের অক্টোবরে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। কমিটিতে ৩ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পান তিনি। কমিটির ক্রম অনুযায়ী তাঁর অবস্থান ১৪ নম্বরে। তবে জনপ্রিয়তায় তিনিই এখন নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ ব্যক্তি। ছাত্র-যুবক সবাই তাঁকে ঘিরে আছেন। নেতা-কর্মীদের মধ্যে সাদিকের গ্রহণযোগ্যতা আছে। কর্মীদের আবেগ ও ভালোবাসা তাঁর পক্ষে আছে।
বরিশালবাসীর কাছের মানুষ, তাদের ভরসার ঠিকানা সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী। নির্বাচনের বাকি আর ১৯দিন। অল্প সময়ে বরিশালের রাজনীতিতে একচ্ছত্র হয়ে উঠেছেন সাদিক আবদুল্লাহ। পিতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পর এখন তিনিই বরিশালের আলোচিত নেতা। তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত মহানগর আওয়ামী লীগ। সাধারণ জনগণ তাকে মেয়র হিসেবে পেতে চায়।
জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর তিন ছেলের বড়জন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অন্য দুই ছেলের একজন আশিক আবদুল্লাহ বাবার সঙ্গে সক্রিয় গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় দলীয় রাজনীতিতে। আরেক ছেলে মঈন আবদুল্লাহ থাকেন ঢাকায়। সাদিক থাকছেন বরিশালেই।
বরিশাল শহরে ঘুরলে পিতা হাসানাত আবদুল্লাহ ও ছেলে সাদিক আবদুল্লাহর প্রভাব চোখে পড়বে। পোস্টার-ব্যানারে পিতা-পুত্রের যুগল ছবির পাশাপাশি আলাদা করে আছেন সাদিক। যুগ্ম সম্পাদক সাদিকের দৃষ্টিনন্দন ছবিতে ঢাকা পড়েছেন মহানগর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এর বাইরে সিটি কর্পোরেশন, এলজিইডি, পিডব্লিউডি, নৌবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও রয়েছে সাদিক আব্দুল্লাহর সুনাম।
২০১৪ সালের এপ্রিলে আকস্মিক মারা যান মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরন। এরপরই সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালের রাজনীতিতে জায়গা করে নেন নিজের যোগ্যতায়। তখন তিনি যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে ছিলেন।
শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ দুটিই এখন হাসানাত পরিবারের নিয়ন্ত্রণে। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তাঁর স্ত্রী শাহান আরা আবদুল্লাহ একই সঙ্গে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। সাদিক আবদুল্লাহর পাশাপাশি অপর দুই ছেলে আশিক ও মঈন আবদুল্লাহও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here