বেলী ড্যান্স: মোহনীয় ঘূর্ণিতে মন যখন আটক

0
16
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

আক্ষরিক অনুবাদ করলে একটা কিম্ভূতকিমাকার শব্দ পাওয়া যায়-উদর নৃত্য! আরব্য এ নৃত্যের সাথে পরিচিতি আছে কমবেশি সবার। বাংলাদেশি একজন দর্শকের চট করে সালসা, সাম্বা, জুম্বা কিংবা অন্যান্য বিদেশি নাচ চিহ্নিত করতে ভুল হলেও বেলী ড্যান্স চিনতে সচরাচর ভুল হয়না।আমাদের দেশে এ নাচ অনুশীলনের প্রচলন নেই।তবে ইউটিউব কিংবা টেলিভিশনের কোন অনুষ্ঠানে এ নাচের অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখতে দেখতে আপন মনে নিজের পেটে হাত বুলিয়ে আফসোস করেনি এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া ভার!
ভুবনজোড়া খ্যাতি এ নাচের।কোমর আর পেটের অবিরাম ঘূর্ণিতে দর্শককে আবিষ্ট করে রাখার মোহনীয় ক্ষমতা আছে বেলী ড্যান্সারদের। তবে শুধুই শারীরিক গতি নয় , বেলী ড্যান্স আসলে আরেকটু বেশি কিছু। এ নাচের সময় একজন নাচিয়েকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে সুরের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হয় এবং সেটা ধারণ করে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের একেকটা মুভসের মাধ্যমে দর্শকের সামনে নৃত্য হিসেবে সুরের প্রতিকৃতি তুলে ধরতে হয়।

পেছন ফিরে দেখাঃ
বেলী ড্যান্সের উৎপত্তি সম্পর্কে কোন সঠিক তথ্য নেই কারো কাছে,বেশিরভাগই অনুমাননির্ভর।তার উপর এর সাথে বিভিন্ন নাচের ফিউশন বা একীভবন বেলী ড্যান্সের সঠিক ইতিহাস নির্ধারণ করা আরো জটিল করেছে। আরব্য বেদুইনদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণই এ নাচ ফিউশনের পেছনে অন্যতম কারণ। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পূর্বেই এর উৎপত্তি হয়েছিল বলে কেউ কেউ মনে করে।তবে তা কাউকে বিনোদনের উদ্দেশ্যে নয় বরং কোন উৎসবে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।
১৭০০০ বছর আগে প্রস্তর যুগেই গুহার ভেতরে বেলী ড্যান্সের এর নিদর্শন পাওয়া যায় বলে অনেক ইতিহাসবিদ দাবি করেন।সেই সময় এ নাচ অনুশীলনের কারণ ছিল মেয়েদের প্রজনন সংক্রান্ত জটিলতা হ্রাস। গবেষকরা বলেন, সেটা ছিল ইরাক, মধ্যপ্রাচ্যে কিংবা মিশরের কোন অঞ্চল। তবে সাধারণের কাছে একে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব মিশরীয়দের ওপর বর্তান অনেক ইতিহাসবিদই। ব্রিটিশ মিউজিয়ামেও মিশরীয় সমাধির পাশে প্রাপ্ত চিত্রকর্মগুলোতে নারীদের যে সর্পিলাকার অবস্থান দেখতে দেখা যায় তার সাথে বেলী ড্যান্সের কিছু আধুনিক মুভসের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। খ্রিস্টপূর্ব ১২ এবং ১৩ শতাব্দীর নিদর্শন হিসেবে পারস্যের যে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম চিত্রকর্ম খুঁজে পাওয়া যায়,সেখানেও আছে এ নাচের মুদ্রা।
১৮ শতকে ফরাসীরা এ নাচের নাম দেয় ‘‘Danse du ventre’’. আরবীয় ভাষায় একে বলা হয় “Raqs Sharqi” (অর্থাৎ পূর্বদেশীয় নৃত্য)। মধ্যপ্রাচ্যে এ নাচের দুধরনের সামাজিক প্রেক্ষিত লক্ষ করা যায়- এক হচ্ছে ফোক নাচ বা সামাজিক নাচ হিসেবে যেটা সামাজিক বিভিন্ন উৎসব বা সম্মিলনীতে আয়োজন করা হয় এবং সেটা যথাসম্ভব নারী-পুরুষ আলাদা আলাদাভাবে সমলিঙ্গের মানুষদের সামনেই কেবল উপস্থাপন করেন।
দ্বিতীয়টি হলো বাণিজ্যিকভাবে মঞ্চে উপস্থাপন;খোলামেলা উপস্থাপনার জন্য যার দুর্নাম রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সমাজে।
১৮৯৩ সালে অনুষ্ঠিত Chicago World’s Fair এ মি. সোল ব্লুম মিশরের যে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেন সেখানে মার্কিন দর্শকরা প্রথমবারের মত পরিচিত হয় এ নাচের সাথে। সবচেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে যে নৃত্যশিল্পী তাকে দর্শকেরা বিমোহিত হয়ে “Little Egypt” তকমা দেয়।
দেশ বা অঞ্চলভেদে বেলী ড্যান্সের যেমন নানান ধরন রয়েছে,তেমনি ভিন্নতা দেখা যায় এর পোশাকের ক্ষেত্রেও। বেলী ড্যান্সের জন্য বিশেষায়িত কস্টিউমকে আরবীতে বলা হয় “bedlah”।ব্যয়বহুল এ পোশাক হয় অত্যন্ত জমকালো আর কারুকার্যময়। তাতে থাকে সিক্যুইন, ক্রিস্টাল, ধাতব মুদ্রা, বিড আর এমব্রয়ডারি কাজ করা। মিশর, তুরস্ক আর ব্রাজিল বিখ্যাত বেলী ড্যান্সের কস্টিউমের জন্য। এখন তো প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে লাইট বা লেজার সম্বলিত প্রপস নিয়েও পার্ফরম করতে দেখা যায় বেলী ড্যান্সারদের।
মিশরীয় বেলী ড্যান্সের সময় অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়ন থাকে অনেক নিয়ন্ত্রিত ।তবে মিশরীয় অনেক নাচিয়েই সিনেমায় সরাসরি কাজ করে খ্যাতি লাভ করেছে। অন্যদিকে তুর্কি নাচ অনেক বেশি জীবন্ত আর আমোদপ্রমোদে ভরপুর।তুর্কি নাচিয়েরা বিখ্যাত তাদের কর্মশক্তি, উদ্দীপনা এবং জিমন্যাস্টিক ক্রীড়াশৈলীর জন্য। আঙুলের সাথে লাগানো এক বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, যা অনেকটা মন্দিরার মতো দেখতে (স্থানীয় ভাষায় পরিচিত Finger cymbals/zills হিসেবে) তুর্কি বেলী ড্যান্সকে অনেক বেশি অভিনব করে তুলেছে। বোদ্ধারা বলেন,যারা যিলস সহযোগে পারফর্ম করতে অক্ষম তারা আদতে বেলী ড্যান্সারই না!
তুর্কি নাচের আরেক সংযোজন “Floorwork” অর্থাৎ মেঝেতে বিভিন্ন অবস্থানে পেটের নৃত্যকৌশল দেখানো। মিশরে ২০শতকের মাঝামাঝি থেকেই এটি নিষিদ্ধ অথচ তুরস্কে এটি দারুন প্রচলিত। লেবাননের বেলী ড্যান্স আবার মিশরীয় আর তুর্কি নাচের এক প্রকার সংমিশ্রণ। এটাও ধ্রুপদী প্রাচ্য রীতি থেকেই বিস্তার লাভ করেছে, কিন্তু এখানকার নাচে নাকি একটা প্রাণহীন,রুক্ষ ভাব আছে।
অন্যান্য অনেক নাচে যেখানে কঠোর ডায়েট চার্ট অনুসরণ করে ছিপছিপে, চর্মসার থাকার চেষ্টা করা হয় সেখানে বেলী ড্যান্সারদের দেখা যায় ভরাট, নিটোল স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে। খাবার নিয়ন্ত্রণের কঠোরতা এখানে কিছুটা শিথিলই বলা যায়। এ নাচের জন্য কোন বিশেষ উচ্চতারও আবশ্যিকতা নেই।যেকোন বয়সী, যে কেউ এ নাচ অনুশীলন করতে পারবে।আর শুধুই কি নারীরা, এ নাচে সমান পারদর্শী এখন পুরুষেরাও। পুরুষদের জন্যে একে আয়ত্তে আনা বরং কঠিনতর।

আসুন পরিচিত হই বেলী ড্যান্সের কিছু মৌলিক স্টেপের সাথে-
Percussive Movements: সবচেয়ে সাধারণ কৌশল এবং প্রাথমিক স্টেপ এটি।বাজনার তালে তালে পর্যাবৃত্ত গতিতে কোমর ঘুরানো হয়। এ ধরনটার ভেতর যেসব টিপিক্যাল মুভস রয়েছে তন্মধ্যে কয়েকটা হলো হিপ ড্রপ, হিপ রক, হিপ লিফটস, হিপ টুইস্ট, হিপ হিটস। নামগুলোর ভেতর দিয়েই কিছুটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে স্টেপগুলা আসলে কেমন,তাই নয় কী!
Fluid Movements: নামেই বোঝা যাচ্ছে এ মুভমেন্টটি হলো তরঙ্গের মত গতিশীল,প্রবাহমান। এঁকেবেঁকে সর্পিলাকারে শরীর দুলতে থাকবে ডান থেকে বামে,বাম থেকে ডানে।বলা যায়, জটিল, যান্ত্রিক এবং নিরবচ্ছিন্ন সুরের লহরীরই এক প্রকার বহির্প্রকাশ এই মুভমেন্ট।এখানে উদরের পেশিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখা লাগে অনেক বেশি। বলিউডের সিনেমাগুলোতে নায়িকাদের হরহামেশাই এই মুভমেন্ট অনুসরণ করে পারফর্ম করতে দেখা যায়।
Shimmy/Shiver/Vibration: কোমর আর পাঁজরের ছোট ছোট অথচ দ্রুত মুভমেন্ট।এক নাগাড়ে ঝড়ের গতিতে কোমর, পেট কিংবা পাঁজর আবর্তিত হতে থাকে।মনে হয় যেন কোন স্প্রিং লাগানো আছে! এ স্টেপগুলোর সময়ই সাধারণত দর্শক সবচাইতে বেশি মোহাবিষ্ট হয়ে থাকে, মন্ত্রমুগ্ধের মত দেখতে থাকে স্প্রিংয়ের গতি। মজার কিছু নাম ও রয়েছে কিন্ত যেমন- twisting hip shimmies, bouncing earthquake shimmies, relaxed shoulder or ribcage shimmies. শিমির মাধ্যমে শুধু স্টেপগুলোই দেখানো হয় না, চেষ্টা করা হয় ঝংকার তুলতে- বেলী ড্যান্সাররা যেসব ধাতব অলংকার, ফ্রিঞ্জ বা ঝালর লাগানো পোশাক পরেন, তার মাধ্যমে ফ্লোরে যথাসম্ভব ঝমঝম শব্দ তৈরীর চেষ্টা করেন। এটি তাই প্রায় সব বেলী ড্যান্সারদের প্রিয় স্টেপ।
প্রায় সব নাচের ক্ষেত্রেই মেনে চলতে হয় অনেক নিয়ম।চাইলেই সব নাচে শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাধীন বিচরণ সম্ভব হয় না।এখানেও ব্যতিক্রম বেলী ড্যান্স-গৎবাঁধা কোন নৃত্যকৌশল নেই এখানে, মৌলিক কৌশলগুলো আয়ত্তে আনার পর একজন নাচিয়ে প্রতিনিয়ত তার মুভসে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারেন। এখানে তাই নাচিয়ের নিজের অনেক বেশি স্বাধীনতা কাজ করে। বলা যায়, বেলী ড্যান্স কোন কোরিওগ্রাফিভিত্তিক নাচ নয় বরং কয়েক ধরনের নৃত্যকৌশলের ইম্প্রোভাইজেশন। নাটকীয় সাজসজ্জা,অলংকারের ধাতব শব্দ আর মুহূর্মুহূ দোলা মঞ্চে এক জাদুকরী আবেশ তৈরী করে।
বেলী ড্যান্সের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তিনটি উপাদান হলো নৃত্যকৌশলে পারদর্শিতা,আত্মবিশ্বাস এবং সুর ও ছন্দের সাথে একীভূত হবার ক্ষমতা।
বেলী ড্যান্সের স্বাস্থ্যগত সুফলঃ
পেশির গঠন ও নমনীয়তা বৃদ্ধি- বেলী ড্যান্স পেশী সুগঠিত করতে সহায়তা করে, বাড়ায় দেহের নমনীয়তা। এই নাচটার সময় শ্রোণিদেশ, কোমর, পেট প্রভৃতি বারবার একটা পর্যাবৃত্ত ছন্দে আন্দোলিত হতে থাকে। পিঠের চাপ কমিয়ে আনে, সারায় পিঠ এবং কোমরের ব্যথা।
হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ- বেলী ড্যান্স বলতে গেলে পুরোটাই করতে হয় দাঁড়িয়ে, পায়ের উপর ভর দিয়ে।দেহের সমস্ত ভর পায়ের উপর এসে পড়ে বলে একে ভারোত্তোলন ব্যায়ামের সাথেও এক প্রকার তুলনা করা যায়। নিয়মিত বেলী ড্যান্সের চর্চা হাড়ের অসুখ অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে, হাড়কে করে আরো মজবুত।
কার্ডিও ওয়ার্কআউট- বেলী ড্যান্স ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং শরীরকে এর যথাযথ যে গঠন সেটি বজায় রাখতে সাহায্য করে।।প্রতি ঘন্টায় বেলী ড্যান্সের অনুশীলন শরীর থেকে পাক্কা ৩০০ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে পারে। পুরো দেহের রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে এ নাচের কার্ডিওভাস্কুলার উপকারিতাও রয়েছে।
আর যেহেতু শ্রোণি, উদর এসবের গতিবিধি নিয়েই বেলী ড্যান্স,তাই এ নাচ হজমেও সহায়ক। অন্য অনেক শারীরিক পরিশ্রমই হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে অবদান রাখে, তবে বেলী ড্যান্স অনেক বেশি কার্যকর এক্ষেত্রে।
প্রজননে সহায়তা- আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, বেলী ড্যান্সের অনন্য এবং আদিমতম উপযোগিতা হলো প্রসবকালীন সময়ে।যারা প্রাকৃতিক উপায়ে সন্তান জন্মদানে ইচ্ছুক,তাদের জন্য এ নাচ উপকারী।যারা দীর্ঘদিন এ নাচের চর্চার সাথে জড়িত তাদের প্রসব পূর্বকালীন জটিলতার হার যেমন কম,তেমনি সন্তান জন্মদানের সময়ও ব্যথা হ্রাস করে এ নাচের চর্চা ।সন্তান জন্মের পরের কয়েকটা সপ্তাহ যখন নতুন মায়ের অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হয়,সে সময় এ নাচের বিভিন্ন অনুশীলন পেটের পেশিগুলোকে তুলনামূলক কম সময়ে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ কমানো- শুধুই কি শারীরিক ব্যায়াম,মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক এ নৃত্যকলা।অথচ বাড়ায় মনোযোগ ক্ষমতা।বেলী ড্যান্সে ছন্দ বা লয়ের সাথে সমন্বয় করাটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মিউজিকের সাথে তাল মেলাতে অভ্যস্ত মানুষটি ব্যক্তিগত জীবনেও অন্যান্য কাজে আস্তে আস্তে ‘ফোকাসড’ হয়ে ওঠেন।
যদিও আরবীয় নাচ হিসেবেই বেলী ডান্সকে গণ্য করা হয় তবু,খোলামেলা পোশাকের কারণে অনেকেই একে মুসলিম সংস্কৃতির পরিপন্থী হিসেবে গণ্য করেন। অনেককেই তাই পরিবার আর সমাজের এক প্রকার বিরুদ্ধে গিয়েই এ নাচের চর্চা ধরে রাখতে হয়।কেউ কেউ বেলী ড্যান্সারদের নেতিবাচক চোখে দেখে থাক। তাদের মতে, এটি অমার্জিত, কুরুচিপূর্ণ, স্থূল এক নৃত্য।তারা জানেই না এটা একটা শতাব্দী পুরোনো নৃত্য কলা, একটা শিল্প ; কোন যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যম নয়। এর পেছনে থাকে একেকজন পারফর্মার এর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও সৃজনশীলতা। ভারসাম্য রক্ষার অনুশীলন করতে গিয়ে অনেকে আস্ত তরবারি মাথায় নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টার দাঁড়িয়ে থাকে; কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেকেই জবড়জং কস্টিউমগুলোর সেলাই নিজেরাই করে থাকে।
বয়স এ নাচের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা নয়।বিভিন্ন দেশে এখন চল্লিশ পেরোনো নারীরাও সমান তালে বেলী ড্যান্সের ক্লাসে সময় কাটাচ্ছেন।মধ্যবয়সী নারীরা একে দেখছেন হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবার এক মাধ্যম হিসেবে। বেলী ড্যান্সের সুফল তো জানলেন।যদি কখনো সময় আর সুযোগ মেলে নিজেকে তবে ঝালিয়ে নিতে ভুলবেন না যেন …

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here