বাংলাদেশ শুধু প্রতিবেশী দেশ নয় অনেক দেশকেই ছাড়িয়ে যাবে

0
20
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইল কণ্ঠ ডেস্ক: বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উন্নতির দুয়ার উন্মোচন করছে। বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আজ প্রশংসিত এই দেশ। শুধু প্রশংসিত নয়, কিছু দেশের কাছে হয়েছে অনুপ্রাণিত ও অনুকরণীয়। পাকিস্তান নামের এক বর্বর রাষ্ট্রের যাতাকলে এক সময় পিষ্ট ছিল বাংলাদেশ, এখন সেই পাকিস্তানের থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামো – অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মাথাপিছু আয়, জিডিপি সব দিক থেকে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই উন্নতির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা-আঙ্কটাড তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ভারতের বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, জি বিজনেসসহ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম এ সংবাদ প্রকাশ করে। দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করলে দেখা যায় বাংলাদেশের জিডিপির পরিমাণ পাকিস্তানের থেকে বেশি।ওয়ার্ল্ড আউটলুক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং ক্রয় ক্ষমতার (পিপিপি) দিক থেকে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেশী দেশ থেকেও বাংলাদেশ গড় আয়ুর দিক থেকে এগিয়ে আছে। বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭১ বছর। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বাড়ার মূল কারণ হলো শিশু মৃত্যুর হার আগের থেকে এখন অনেক কমেছে। ভারত ও পাকিস্তানে ১০০০ জনে শিশু মৃত্যুর হার যথাক্রমে ৩৪.৬ ও ৬৪.২ অপরদিকে বাংলাদেশে এর সংখ্যা ২৮.২। বর্তমানে দেশের সকল স্তরে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হওয়াতে এবং খাদ্যের পুষ্টিমান ঠিক রাখার জন্য দেশের গড় আয়ু বেড়েছে ও শিশু মৃত্যু ঝুঁকি কমেছে।
বর্তমানে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৭৫২ ডলার। বিগত বছরের তুলনায় মাথাপিছু আয় ১৪২ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশের মানুষের গড় আয় বছরে এক লাখ ৪২ হাজার ৯১২ টাকা(প্রতি ডলার ৮১ টাকা হিসাবে)।আর এক বছরে এই আয় বেড়েছে ১১ হাজার ৫০২ টাকা। যা পাকিস্তানের মাথাপিছু থেকে বেশি ।
দেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে এই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের এই উন্নতির ধারাবাহিকতা এক দিনে আসেনি। বছরের পর বছর সমন্বিত পরিকল্পনা এবং সরকারের দৃঢ় নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে এই দেশ। স্বাধীনতার পর যেই দেশে খাদ্য যোগান দেয়া ছিল সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জিং। আজ সেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিশ্চিত করেছে। নিশ্চিত করেছে নারী শিক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন, জনগণের নিরাপত্তা, চিকিৎসা সেবা। মহাকাশেও নামাঙ্কিত করেছে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু –১ এর মাধ্যমে। এসব সম্ভব হয়েছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে শুধু প্রতিবেশী দেশ নয় এশিয়ার অনেক দেশকে একদিন ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here