নড়াইলে কালবৈশাখী ঝড়ে গৃহহীন: খোলা আকাশের নিচে বসবাস

90

নড়াইল কণ্ঠ : “ঝড়ে কলা পড়েছে, ফকিরের কেরামতি বেড়েছে” এধরনের প্রবাদ ছোট বেলা হতে শুনে আসছি। এ যুগেও ঝড়ে কলা পড়ে, ভিটে বাড়ি তচনচও হয়, কিন্তু স্বইচ্ছায় কোন ফকিরের কেরামতি বেড়েছে তেমন একটা শোনা যায় না। গত শনিবার (৫ মে) মধ্যরাতে দু’দফা কালবৈশাখি ঝড়ে নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের বনগ্রামের দিনমজুর ভ্যান চালক শৈলেন বিশ্বাসের ভিটের সবকটা ঘর ঝড়ে দুমড়েমুছড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। ঝড়ে ভিটের উপর ঘরের কোন কাঠামোও রেখে যায়নি। বসবাসের মতো কোন অবস্থাই নেই। অসহায় এই দিনমজুর তার স্ত্রী, এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে ঝড় পরবর্তী ৬৬ঘন্টার মতো সময় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে, এখনও কারো নজরে আসেনি।
এদিকে শৈলেন বিশ্বাস জানান, তার দুটি সন্তান, স্ত্রী। আমি ভ্যান চালায় সংসার চালাই। ছেলে মুলিয়া হাই স্কুলে ক্লাস সেভেনে আর মাইয়ে ক্লাস টেনে লেহা-পড়া করে। তাদের লেখা-পড়ার সব বই খাতা ঝড়ে নষ্ট করে দিয়ে গেছে। রান্না, খাওয়া দাওয়ায় সাংঘাতিক কষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান, এখন যে অবস্থা দাড়াইছে তাতে আমার ঘর তোলারও কোন সামর্থ আমার নেই। যদি কেউ কোন সাহায্য করে তা হলি ছেলে মেয়ে পরিবার নিয়ে আবার বসবাস করতি পারতাম। দাদা আমাদের দেখার কেউ নেই।
ভুক্তভোগি ও এলাকার সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার ঝড়ে বনগ্রামের শৈলেন বিশ্বাসের বাড়ির সবকয়টা ঘর ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। তার দু’টি ছেলে-মেয়ে খুবই মেধাবী।তারা বর্তমান একটি ছাবড়া করে কোন রকমন রাত্রি যাপন করছে।