Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত সংলাপের সুপারিশমালা সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ইসির যুগ্ম সচিব (চলতি দায়িত্ব) এস এম আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রীপরিষদ সচিবের দফতরসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে সোমবার (১৬ এপ্রিল) সুপারিশমালা পাঠিয়েছেন।

২০১৭ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নারী নেত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে নির্বাচন কমিশন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য আয়োজিত নির্বাচনের জন্য সংলাপ থেকে ইসির কাছে ৫ শতাধিক সুপারিশ আসে।

সুপারিশগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে সেনা মোতায়েন পক্ষে সবচেয়ে বেশি এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিপক্ষে বেশিভাগ সুপারিশ এসেছে। আর নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়েছেন ইসিকে ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর আস্থা অর্জন ও সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে উদ্যোগী হওয়ার ওপর।

সংলাপের পরপরই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছিলেন, এই সংলাপ থেকে পাওয়া সুপারিশগুলোর মধ্যে যেগুলো বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো আমরা বাস্তবায়ন করবো। আর সরকারের বিষয়গুলো সরকারকে বাস্তবায়নের জন্য বলবো। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (১৬ এপ্রিল) সুপারিশমালা পাঠানো হলো।

২০১৭ সালের ৩১ জুলাই সুশীল বা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের সুপারিশ করেন। একইসঙ্গে তারা ইভিএম বাদ দিতে বলেন। সীমানা পুনর্নির্ধারণের তেমন প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন তারা।

এরপর ১৬ ও ১৭ আগস্ট সংলাপে অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করতে হবে। তবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা সেনা মোতায়েনের বিপক্ষে অভিমত দেন। তারা ইভিএম নিয়ে কোনো আলোচনা করেননি। তবে সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করার সুপারিশ করেছেন।

গত ২৪ আগস্ট শুরু হয় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ। শেষ হয় বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর)। প্রতিটি দলই সংলাপে অংশ নেয়। এদের মধ্যে বেশিরভাগ দলই সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দেয়। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন করার বিপক্ষে ও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ না করার সুপারিশ করে।