Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইল কণ্ঠ : বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে উত্তরণের ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে নড়াইলে আনন্দ শোভাযাত্রা ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই উপলক্ষে ২০ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জেলা কালেক্টর চত্বর হতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিংএ জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসান গণমাধ্যম কর্মী ও উপস্থিত সকলের সামনে “স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের অভিযাত্রায় বাংলাদেশ” শীর্ষক একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এসময় উত্থাপিত প্রবন্ধের উপর আলোচনা রাখেন, জেলা প্রশাসক মো: এমদাদুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসার মেহেদি হাসান, ডিডিএলজি মো: সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামরুল আরিফ, লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুর আমীর লিটু, জেলা পরিষদের সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ ও নড়াইল কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া ইউসুফ, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আলমগীর সিদ্দিকী, সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জামিসহ প্রমুখ।প্রেসব্রিফিং বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পূর্বের তিন বছরে ( অর্থাৎ ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে) বাংলাদেশ তার উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে একটি ক্রান্তিকালীন কৌশলপত্র তৈরি করবে যা এলডিসি থেকে বেরিয়ে আসার পরবর্তী তিন বছরে (২০২৪-২০২৭) বাস্তবায়ন করা হবে। এ পরাকৌশল তৈরির মূল উদ্দেশ্য হল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে আসার পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহায়তা (International Support Measures) কমে আসার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করা।
নিম্নে নড়াইল জেলা জেলা তথ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের “স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের অভিযাত্রায় বাংলাদেশ” শীর্ষক একটি প্রবন্ধটি হুবহু উল্লেখ করা হলো :
স্বল্পোন্নত দেশের ধারণাটি ১৯৬০ এর দশকে প্রথম প্রবর্তিত হলেও জাতিসংঘ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে পৃথকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করে ১৯৭১ সালে। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিভিন্ন সূচকে জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমার (Threshold) মধ্যে থাকা দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে চিহ্নিত। স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে সাধারণত জীবনযাত্রার মান কম, শিল্প বাণিজ্যে এসমস্ত দেশ অনগ্রসর এবং মানব উন্নয়ন সূচকে অপরাপর দেশের তুলনায় এই দেশগুলো পিছিয়ে। বিশ্বের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলো আর্থসামাজিক বিভিন্ন মানদন্ডে ক্রমশ পিছিয়ে থাকার প্রেক্ষাপটে এসমস্ত দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের ধারণাটি প্রবর্তন করে।
তিনি তার প্রবন্ধে আরো উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বের দেশগুলোকে তাদের আয় এবং সামাজিক কিছু সূচকের ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে থাকে। এগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রদানের সুবিধার জন্য সদস্য-দেশগুলোকে নিম্ন আয়ের দেশ, নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ, উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং উচ্চ আয়ের দেশ-এই চার ভাগে ভাগ করেছে। প্রতিবছর এই তালিকা নতুন করে তৈরি করা হয়। তবে এই ভাগটি শুধু আয়ভিত্তিক বলে এখানে কোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের চিত্রটি বোঝা যায় না। কেননা, উচ্চ মাথাপিছু আয় থাকার পরও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে অনেক দেশ সামাজিক সূচকে পিছিয়ে থাকে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে বর্তমানে বিশ্বের সর্বমোট ৪৭ টি দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় রয়েছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে। স্বল্পোন্নত দেশ নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান আঙ্কটাডের নেতৃত্বে ১৯৮১, ১৯৯০, ২০০১ ও ২০১১ সালে চারটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল গত ০৯-১৩ মে ২০১১ তারিখে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অনুষ্ঠিত স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ৪র্থ জাতিসংঘ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ইস্তাম্বুল ঘোষণা ও ইস্তাম্বুল কর্মপরিকল্পনা (Istanbul Programme of Action-IPoA) গৃহীত হয়। এ কর্ম-পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হল, ২০২০ সালের মধ্যে অর্ধেক সংখ্যক দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটগরি থেকে উত্তরণ (graduation) ঘটানো। এখন পর্যন্ত সর্বমোট পাঁচটি দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে সক্ষম হয়েছে। এ দেশগুলো হল- বোতসোয়ানা (১৯৯৪), কেপ ভারদে (২০০৭), মালদ্বীপ (২০১১), সামোয়া (২০১৪) ও ইকুয়েটরিয়াল গিনি (২০১৭)
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সূচকসমুহ হলো :
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কাউন্সিল (Economic and Social Council-ECOSOC) এর উন্নয়ন নীতিমালা বিষয়ক কমিটি (Committee for Development Policy-CDP) তিনটি সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পর পর উন্নয়নশীল দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে আসার সূচকগুলো হচ্ছে: (ক) মাথাপিছু আয় (Gross National Income per Capita)- যা বিগত তিন বছরের গড় মাথাপিছু জাতীয় আয় হতে নির্ধারণ করা হয়; (খ) মানবসম্পদ সূচক (Human Assets Index)- যেটি পুষ্টি, স্বাস্থ্য, মৃত্যুহার, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হারের সমন্বয়ে তৈরি হয়; (গ) অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক (Economic Vulnerability Index)- যেটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক আঘাত, জনসংখ্যার পরিমাণ এবং বিশ্ববাজার থেকে একটি দেশের দূরত্বসহ আটটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।
উপর্যুক্ত যে কোনো দুটি সূচকের মান অর্জন করতে পারলেই একটি দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটানোর যোগ্যতা অর্জন করে। তবে ইচ্ছে করলে কোনো দেশ শুধু মাথাপিছু জাতীয় আয়ের ভিত্তিতেও এলডিসি থেকে বেরিয়ে আসার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তার মাথাপিছু আয় মূল্যায়নের বছরে নির্ধারিত প্রয়োজনীয় আয়ের দ্বিগুণ হতে হবে।
কোনো দেশ পর পর দুটি ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনায় (৬ বছর) তিনটি সূচকের যে কোনো দু’টিতে উত্তীর্ণ হলে অথবা জাতীয় মাথাপিছু আয় নির্ধারিত মানের দ্বিগুণ অর্জন করতে পারলে তাকে জাতিসংঘ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা দেয় ।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের যাত্রা
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে। এরই সুবাদে বিগত ১২-১৬ই মার্চ ২০১৮ তারিখ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত সিডিপি এর ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সকল মানদণ্ড পূরণের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হয়েছে।
২০১৮ সালের এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য এবার সিডিপি কর্তৃক যে পর্যালোচনা হয়, তাতে একটি দেশের মাথাপিছু আয়ের প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ১,২৩০ মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাংক নির্ধারিত যে অ্যাটলাস পদ্ধতিতে এ আয় নির্ধারণ করা হয় সেই হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১,২৭২ মার্কিন ডলার। মানব সম্পদ সূচক যা কি না পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হারের সমন্বয়ে তৈরি হয়- সেখানে একটি দেশের স্কোর থাকা দরকার ছিল ৬৬ বা তার বেশি। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশের বর্তমান স্কোর হচ্ছে এখন ৭২.৮। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক যেটি কি না প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক আঘাত, জনসংখ্যার পরিমাণ এবং বিশ্ববাজার থেকে একটি দেশের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় সেখানে একটি দেশের স্কোর হওয়া প্রয়োজন ছিল ৩২ বা তার কম। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর এখন ২৫।
বিগত ১২-১৬ মার্চ ২০১৮ তারিখে সিডিপি-এর ত্রি-বার্ষিক পর্যালোচনা সভার পরপরই সিডিপি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি-কে বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের মানদণ্ড পূরণ করেছে মর্মে অবহিত করেছে। পাশাপাশি সিডিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ঊঈঙঝঙঈ-কে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করবার কথা রয়েছে।
পরবর্তী ধাপে আঙ্কটাড বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও উন্নয়ন প্রেক্ষাপটের আলোকে একটি ভঙ্গুরতা পর্যালোচনা বা Vulnerability Profile তৈরি করবে। একই সাথে উঊঝঅ (Department of Economic and Social Affairs) স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সম্ভাব্য প্রভাব কী হতে পারে, বিশেষত দেশে বর্তমানে বিদ্যমান উন্নয়ন সহযোগিতা কার্যক্রম ও বহির্বাণিজ্যের উপর কী প্রভাব পড়তে পারে তার আলোকে একটি প্রভাব পর্যালোচনা বা Impact Assessment তৈরি করবে।
এরপর ২০২১ সালে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনায় বাংলাদেশ যদি পুনরায় সিডিপি এর মানদণ্ডগুলো পূরণে সক্ষম হয় তাহলে সিডিপি ঊঈঙঝঙঈ এর নিকট বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ করবে। এরপর ECOSOC তা অনুমোদনপূর্বক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিকট বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ করবে। সেক্ষেত্রে, এর তিন বছর পর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পূর্বের তিন বছরে (অর্থাৎ ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে) বাংলাদেশ তার উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে একটি ক্রান্তিকালীন কৌশলপত্র তৈরি করবে যা এলডিসি থেকে বেরিয়ে আসার পরবর্তী তিন বছরে (২০২৪-২০২৭) বাস্তবায়ন করা হবে। এ পরাকৌশল তৈরির মূল উদ্দেশ্য হল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে আসার পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহায়তা (International Support Measures) কমে আসার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করা।
একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনের প্রত্যয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সরকার প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে সরকার সফলভাবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ লাভের মধ্য দিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এখন বাংলাদেশ। এ অগ্রযাত্রাকে রুখে কার সাধ্য। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও ২০৪১ সালে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের উন্নত দেশের তালিকায়।

অনুষ্ঠানের ভিডিও দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন :