সীমান্তে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ উদ্বোধন

82

রিফাত বিন ত্বহা, কলকাতা : বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ৮.৩ (আট দশমিক তিন) কিলোমিটার এলাকা প্রথমবারের মতো ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বা অপরাধমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।শুক্রবার যশোরের শার্শা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁও সীমান্তে ৬৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কালিয়ানি বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় উক্ত ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব শেখ আফিল উদ্দিন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বিএসপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, পি ইঞ্জ (Major General Abul Hossain, BSP, BGBM, ndc, psc, P Eng), বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা, আইপিএস (Shri K K Sharma, IPS), বিজিবি ও বিএসএফ এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উভয় দেশের স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিকদের মধ্যে একুশে টেলিভিশনের সিইও জনাব মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সম্পাদক ও নিউজ২৪ এর সিইও জনাব নঈম নিজাম, উভয় দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যশোর সীমান্তের পুটখালী ও দৌলতপুর বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এবং বিপরীত দিকে ভারতের কাল্যানি ও গুনারমঠ বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার মোট ৮.৩ কিলোমিটার সীমান্ত পরীক্ষামূলকভাবে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহন করা ।
‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষিত সীমান্তে বিভিন্ন প্রকারের বর্ডার সার্ভেইল্যান্স ডিভাইস যেমন-ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সার্চ লাইট, থার্মাল ইমেজার ইত্যাদি স্থাপন করা হয়।